সোমবার, ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫
১ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুষ্ঠু নির্বাচন স্থিতিশীলতা ও আইনশৃঙ্খলার আরও উন্নতি ঘটাবে- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

আর এন এস ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:৪৯ এএম

সুষ্ঠু নির্বাচন স্থিতিশীলতা ও আইনশৃঙ্খলার আরও উন্নতি ঘটাবে- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
ছবি: Collected

আসন্ন জাতীয় সাধারণ নির্বাচন দেশের স্থিতিশীলতা এবং বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি ঘটাবে বলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আশা প্রকাশ করেছে। বুধবার ঢাকা সেনানিবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সেনাবাহিনীর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারাও দেশের সাধারণ জনগণের মতোই সরকারের নির্ধারিত রূপরেখা (রোডম্যাপ) অনুযায়ী একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক, এটাই চায়। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের (আর্টডক) জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ মইনুর রহমান।

 

তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এবং সরকারের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারা বারবার ঘোষণা দিয়েছেন যে, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথম দুই সপ্তাহের মধ্যেই পরবর্তী সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। লেফটেন্যান্ট জেনারেল মইনুর রহমান বলেন, সেনাবাহিনী এই নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করছে। এই নির্বাচন সম্পন্ন হলে সেনাসদস্যরা দীর্ঘ ১৫ মাসের কঠিন দায়িত্ব পালন শেষে ব্যারাকে ফিরে যেতে পারবেন। তিনি এই ১৫ মাস সময়কালকে দেশের ইতিহাসে এক 'বিরল' পর্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন।

 

তিনি আরও অভিযোগ করেন, এই কঠিন সময়ে সেনাবাহিনী (দেশকে) গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করা সত্ত্বেও, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ক্রমাগত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মিথ্যা এবং বানোয়াট তথ্য ছড়িয়ে যাচ্ছে। তবে এসবে বিভ্রান্ত না হয়ে সেনাবাহিনী তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে বলে তিনি দৃঢ়তা প্রকাশ করেন। লেফটেন্যান্ট জেনারেল মইনুর উল্লেখ করেন, "সেনাবাহিনী এখন অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি ঐক্যবদ্ধ।"

 

গত ১৫ মাসের কার্যক্রম পর্যালোচনা করে তিনি জানান, এই সময়ে সেনাবাহিনী বেসামরিক প্রশাসন এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে বেশ কিছু নজিরবিহীন প্রতিকূলতা মোকাবিলায় সহায়তা করেছে। এর মধ্যে "১৫ বছর ধরে পুঞ্জীভূত আবেগের বহিঃপ্রকাশ" সামলানো, কুমিল্লা ও নোয়াখালীর ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং বিভিন্ন গোষ্ঠীর দ্বারা সংঘটিত বারবার রাস্তা অবরোধের মতো ঘটনাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।