আইন উপদেষ্টা বলেন, "আমরা যখন সরকারের দায়িত্ব নিয়েছিলাম, তখন আমাদের চিন্তা ছিল বিচার, সংস্কার এবং জুলাইয়ের শহীদদের পুনর্বাসনের কথা। সেই বিচার গ্রহণযোগ্য করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।" তিনি সতর্ক করে বলেন, ক্ষমতাচ্যুত দলের লোকজন হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে এই বিচার প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করতে এবং বিশ্ববাসীকে বিভ্রান্ত করতে চাইবে। একারণেই সর্বোচ্চ মানের একটি স্বচ্ছ বিচার নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি।
জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ করে আবেগাপ্লুত হয়ে আসিফ নজরুল বলেন, "ভাইয়ের লাশ নিয়ে বোনের মিছিল, এপিসি থেকে ছুড়ে ফেলা ইয়ামিনের দেহ—বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন মহাকাব্যিক ঘটনা আর ঘটেনি। এই আত্মদান বৃথা যাবে না। অনুষ্ঠানে তথ্য উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেন, "বিগত ১৬ বছরের নিপীড়ন, হত্যা ও গুমের শিকার হওয়া মানুষের স্মৃতি এবং শহীদদের আত্মত্যাগকে বারবার স্মরণ করতে হবে। এই লড়াইয়ের ইতিহাস দীর্ঘ। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী জুলাই আন্দোলনকে ‘৫৪ বছরের সংগ্রাম’ আখ্যা দিয়ে বলেন, "আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো আমরা সত্যের পক্ষে আছি। এই সত্যকে বুদ্ধিবৃত্তিক কাঠামোর মধ্যে আনতে হবে।"
গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেন, "ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান যে কোনো মূল্যে ঠেকাতে হবে। আমরা মানবাধিকার লঙ্ঘন হতে দেব না এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে দেশকে মুক্ত করব। তবে অনুষ্ঠানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয় শহীদ আবু সাঈদের বাবা মো. মকবুল হোসেনের বক্তব্যে। তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "আমার ছেলে চলে যাওয়ার এক বছর পূর্ণ হলো, কিন্তু এখনো убийীদের বিচার হয়নি। আমি দ্রুত আমার সন্তানসহ সকল শহীদের হত্যার বিচার দাবি করছি।" তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তথ্যচিত্রটি প্রযোজনা করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
সূত্র// ঢাকা পোস্ট