ভিক্টোরিয়া পুলিশের যৌন অপরাধ দমন শাখা মঙ্গলবার নিশ্চিত করেছে, অভিযুক্ত জোশুয়া ডেল ব্রাউনের আরও চারটি নতুন কর্মস্থলের সন্ধান মিলেছে। এই নিয়ে তার মোট কর্মস্থলের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২টিতে। এর ফলে আরও প্রায় ৮০০ শিশুকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বলা হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ২,০০০ শিশুকে যৌন সংক্রমিত রোগ (STI) পরীক্ষার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী জেসন ক্লেয়ার এই পরিস্থিতিকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য এক "দুঃস্বপ্ন" বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, "কর্তৃপক্ষের কাছে এমন একটি ব্যবস্থা থাকা উচিত যেখানে একটি বোতাম চেপেই জানা যাবে কোন কর্মী কোথায় কাজ করছে বা এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে যাচ্ছে কি না। এই ঘটনাটিই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে কেন এমন একটি রেজিস্টার প্রয়োজন।
পুলিশ জানিয়েছে, চাইল্ড কেয়ার কেন্দ্রগুলোর কাছে কর্মীদের কোনো কেন্দ্রীয় তথ্যভান্ডার না থাকায় তদন্তকাজ অত্যন্ত জটিল হয়ে পড়েছে। হাতে লেখা নথি ও শিফট রোস্টার উদ্ধারের জন্য তাদের তল্লাশি পরোয়ানা জারি করতে হচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, নিরাপত্তা মান পূরণে ব্যর্থ কেন্দ্রগুলোর সরকারি তহবিল বন্ধ করতে তিনি সংসদে নতুন আইন আনবেন। এছাড়া, কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর বিষয়টিকেও তিনি সমর্থন করেন। তাঁর মতে, এটি যেমন অপরাধীদের কুকর্মে বাধা দেবে, তেমনই কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে পুলিশের তদন্তে সহায়তা করবে। জাতীয় স্তরে সংস্কারের ধীরগতির কারণে ভিক্টোরিয়ার রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই নিজস্ব কর্মী নিবন্ধন ব্যবস্থা তৈরির ঘোষণা দিয়েছে।
---