শুক্রবার, অক্টোবর ১৬, ২০২৬
১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শুক্রবার প্রেক্ষাগৃহে আসছে নওশাবার নতুন চলচ্চিত্র ‘চিরকুট’

আর এন এস বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ০৫:৩৯ পিএম

শুক্রবার প্রেক্ষাগৃহে আসছে নওশাবার নতুন চলচ্চিত্র ‘চিরকুট’
ছবি: সংগৃহীত

শরতের উৎসবমুখর পরিবেশে দেশের বিনোদন জগতে নতুন মাত্রা যোগ করতে যাচ্ছে কাজী নওশাবা আহমেদ অভিনীত নতুন চলচ্চিত্র ‘চিরকুট’। গত বছর প্রতিবেশী দেশ ভারতের কলকাতায় তাঁর অভিনীত ‘যত কাণ্ড কলকাতাতেই’ নামের সিনেমাটি মুক্তি পেয়ে দর্শক মহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছিল।

 

সেই ধারাবাহিকতায় এবার দেশের প্রেক্ষাগৃহে পূজা উপলক্ষে আগামীকাল শুক্রবার মুক্তি পেতে যাচ্ছে তাঁর অভিনীত নতুন এই সৃষ্টি। চলচ্চিত্রটিতে নওশাবাকে একটি অতিথি চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে। পর্দায় তাঁর উপস্থিতির সময়কাল খুব বেশি দীর্ঘ না হলেও, গল্পের মূল কাঠামোর ক্ষেত্রে চরিত্রটির গুরুত্ব অপরিসীম।

 

নব্বই দশকের নির্মল স্মৃতির আবরণে মোড়ানো একটি গল্প, প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী শহর রাজশাহীর স্নিগ্ধ আবহ এবং নবাগত নির্মাতার প্রতি গভীর স্নেহ ও ভালোবাসা-মূলত এই বিষয়গুলোই এই চলচ্চিত্রে তাঁর যুক্ত হওয়ার পেছনে প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে।

 

বিনোদন জগতের বর্তমান ধারায় যখন চাকচিক্য ও কৃত্রিমতার ছড়াছড়ি, তখন এমন একটি মাটির কাছাকাছি থাকা গল্পের অংশ হতে পেরে এই অভিনেত্রী নিজেও বেশ উচ্ছ্বসিত। নতুন এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব পাওয়ার পেছনের গল্প বলতে গিয়ে নওশাবা অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।

 

তিনি জানান, সিনেমাটির তরুণ নির্মাতা আকিবের প্রতি তাঁর এক ধরনের আত্মিক টান ও স্নেহ রয়েছে। সেই স্নেহের জায়গা থেকেই মূলত তিনি প্রথম এই কাজটি করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। আকিব তাঁর অত্যন্ত আদরের ছোট ভাইতুল্য একজন মানুষ।

 

এটি যেহেতু এই নির্মাতার জীবনের প্রথম পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র নির্মাণ, তাই কাজটির প্রতি নওশাবা স্বভাবতই এক আলাদা টান ও দায়িত্ববোধ অনুভব করেছেন। তবে ব্যক্তিগত সম্পর্কের বাইরেও তাঁকে সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করেছে এই সিনেমার সময়কাল এবং গল্পের চমৎকার পটভূমি।

 

নওশাবার নিজস্ব ভাষ্যমতে, ‘চিরকুট’ মূলত নব্বই দশকের এক অনবদ্য গল্প, যা দর্শকদের খুব সহজেই সোনালি অতীতে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। এই গল্পের সমগ্র ঘটনাপ্রবাহের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী শহর, যে শহরটি অভিনেত্রীর অত্যন্ত পছন্দের একটি স্থান।

 

সেখানকার সাধারণ মানুষের সহজ-সরল জীবনযাপন, আতিথেয়তা এবং সুস্বাদু খাবারদাবার-সবকিছুর প্রতিই তাঁর এক ধরনের আলাদা ও গভীর ভালোলাগা রয়েছে। নির্মাতা যখন তাঁকে প্রথম জানান যে সিনেমাটির গল্প নব্বই দশকের রাজশাহীর প্রেক্ষাপটে তৈরি করা হয়েছে, তখন আর কোনোভাবেই নিজেকে সামলে রাখতে পারেননি এই গুণী অভিনেত্রী।

 

চলচ্চিত্রের প্রতি অগাধ বিশ্বাস ও ভালোবাসার কারণে তিনি এমনকি সম্পূর্ণ চিত্রনাট্য না পড়েই অভিনয়ে নিজের পূর্ণ সম্মতি জ্ঞাপন করেন। চলচ্চিত্রটির নির্মাণশৈলী ও গল্প সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে নওশাবা বলেন, তরুণ নির্মাতা অত্যন্ত গুছিয়ে এবং যত্নের সঙ্গে পুরো কাজটি সম্পন্ন করেছেন।

 

তাঁর এই প্রথম স্বাধীন নির্মাণকে সমর্থন জানানো ও উৎসাহ প্রদান করাও ছিল অভিনয়ে যুক্ত হওয়ার অন্যতম একটি প্রধান উদ্দেশ্য। তবে কেবল ব্যক্তিগত সুসম্পর্কই নয়, বরং গল্পের অন্তর্নিহিত ধরনও তাঁকে দারুণভাবে আগ্রহী করে তুলেছে।

 

বাস্তব ও সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত একটি অত্যন্ত মিষ্টি এবং নির্মল প্রেমের গল্প হলো ‘চিরকুট’। বর্তমান সময়ের অনেক চলচ্চিত্রে যেখানে অতিরিক্ত সহিংসতা ও অপরাধের মাত্রাতিরিক্ত উপস্থাপন দেখা যায়, সেখানে এই চলচ্চিত্রে এ ধরনের কোনো নেতিবাচক উপাদান নেই; বরং এটি এমন একটি পরিচ্ছন্ন গল্প, যা পরিবারের সকল সদস্যকে একসঙ্গে নিয়ে নিশ্চিন্তে উপভোগ করা যায়।

 

নওশাবা অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে প্রত্যাশা করেন যে, শিশু থেকে শুরু করে বয়োজ্যেষ্ঠ-সব বয়সী দর্শকই সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে একসঙ্গে বসে উপভোগ করতে পারবেন এবং এক ধরনের প্রশান্তি অনুভব করবেন।

 

নব্বই দশকের একটি গল্পে ফিরে যাওয়ার মধ্যে নওশাবার নিজের কাছেও রয়েছে এক ধরনের অদ্ভুত স্মৃতিকাতরতা বা নস্টালজিয়া। সময়ের আবর্তনে সমাজ ব্যবস্থা বদলেছে, মানুষের প্রাত্যহিক জীবনযাপন বদলেছে, এমনকি মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কের সমীকরণ ও আবেগ প্রকাশের ভঙ্গিও ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে।

 

এই দ্রুত পরিবর্তনশীল সময়ের ভেতর দাঁড়িয়ে অতীতের কোনো একটি নির্দিষ্ট ও সরল সময়কে রূপালি পর্দায় ফিরে দেখা যেকোনো দর্শকের জন্যই এক অন্যরকম এবং অভিনব অভিজ্ঞতা হয়ে উঠতে পারে।

 

বিশেষ করে রাজশাহীর মতো একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শহর যখন গল্পের মূল আবহ নির্মাণে সরাসরি ভূমিকা রাখে, তখন সেই স্থানটির সঙ্গে পূর্ব পরিচিত দর্শকরা স্বাভাবিকভাবেই নিজেদের ফেলে আসা স্মৃতির সঙ্গেও একটি গভীর মিল খুঁজে পেতে সক্ষম হবেন।

 

‘চিরকুট’ চলচ্চিত্রটি নিয়ে নওশাবার ব্যক্তিগত আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে এই স্মৃতিময়তার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে তিনি গণমাধ্যমের কাছে নিশ্চিত করেছেন। একজন পেশাদার অভিনেত্রী হিসেবে কাজী নওশাবা আহমেদের ক্যারিয়ার বরাবরই বৈচিত্র্যময় চরিত্র এবং সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী গল্পের প্রতি তাঁর অদম্য আগ্রহের পরিচয় বহন করে চলেছে।

 

টেলিভিশন নাটক, পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র, আধুনিক ডিজিটাল মাধ্যম এবং ঐতিহ্যবাহী মঞ্চনাটক-শিল্পচর্চার প্রায় সব কটি মাধ্যমেই তিনি অত্যন্ত সাবলীলভাবে নিজের অভিনয় দক্ষতা প্রমাণ করেছেন। ২০২২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পাপবাজার’ নামের একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অসাধারণ অভিনয় করে তিনি সমালোচক ও দর্শক মহলে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছিলেন।

 

পরবর্তী সময়ে প্রখ্যাত নির্মাতা নুহাশ হুমায়ূনের নির্মিত জনপ্রিয় সিরিজ ‘পেট কাটা ষ’-এর ‘অন্তরা’ গল্পে তাঁর অনবদ্য অভিনয় তাঁকে অভিনয় জগতে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসে।

 

এ ছাড়া প্রখ্যাত সাহিত্যিক সাদাত হাসান মান্টোর কালজয়ী গল্প থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত ‘ঠান্ডা গোশত ২.০’ নামের একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রেও তিনি অত্যন্ত সাহসী ও প্রশংসনীয় অভিনয় করেছেন।

 

অভিনয় জীবনের এই সব জটিল ও মনস্তাত্ত্বিক কাজের পাশাপাশি এবার ‘চিরকুট’-এর মতো একটি নিখাদ পারিবারিক আবহের নির্মল প্রেমের গল্পে তাঁকে সম্পূর্ণ নতুন একটি রূপে পর্দায় দেখা যাবে, যা তাঁর অভিনয় দক্ষতার বহুমুখিতাকেই আরও একবার প্রমাণ করে।

 

তবে শুধু অভিনয়ের জগতেই নওশাবার বর্তমান ব্যস্ততা সীমাবদ্ধ নেই। সম্প্রতি তিনি ‘ঝামেলা’ নামের নতুন আরও একটি চলচ্চিত্রের শুটিং সফলভাবে শেষ করেছেন। সিনেমাটি আগামী পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সারা দেশে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, শুধু ক্যামেরার সামনে নয়, ক্যামেরার পেছনেও নিজের মেধার স্বাক্ষর রাখতে চলেছেন তিনি।

 

তাঁর নিজের পরিচালিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র ‘সোমেশ্বরী’ বর্তমানে সম্পাদনার টেবিলে চূড়ান্ত প্রস্তুতির পর্যায়ে রয়েছে। বাংলাদেশের অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর এবং এর আশপাশের হাওর এলাকায় এই চলচ্চিত্রটির দৃশ্যধারণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

 

এই নির্মাণের একটি বড় দিক হলো, এতে স্থানীয় সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল অত্যন্ত চোখে পড়ার মতো, যা চলচ্চিত্রটিকে আরও বাস্তবসম্মত করে তুলেছে। একজন স্বাধীন নির্মাতা হিসেবেও নিজের সৃজনশীল ভাবনা ও দর্শনকে সাধারণ দর্শকের কাছে পৌঁছে দিতে চান নওশাবা।

 

তবে তিনি অকপটে স্বীকার করেছেন যে, বাংলাদেশে মানসম্মত চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা ও চ্যালেঞ্জ হলো উপযুক্ত প্রযোজক খুঁজে পাওয়া। পরিচালনা এবং নিজের অভিনয় প্রসঙ্গে নওশাবার নিজস্ব দর্শন হলো, ‘সোমেশ্বরী’ মূলত প্রকৃতিকে সঙ্গে নিয়ে প্রকৃতিরই গল্প বলার এক নিবিড় প্রচেষ্টা।

 

প্রতিনিয়ত ঘটে চলা পরিবেশ দূষণ, নদীকেন্দ্রিক প্রান্তিক জনপদের সংগ্রামমুখর জীবন এবং সাধারণ মানুষের বাস্তব জীবনসংগ্রামের অভিজ্ঞতাকে কেন্দ্র করেই নির্মিত হয়েছে এই পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্রটি। তিনি জানান, একজন নতুন নির্মাতা হিসেবে তিনি তাঁর নিজস্ব চিন্তাধারা ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতাকে এই চলচ্চিত্রে তুলে ধরার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন।

 

আর গ্রামীণ সাধারণ জীবন এবং প্রান্তিক মানুষের সঙ্গে ছোটবেলা থেকেই তাঁর গভীর পরিচয় থাকায়, এই বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করতে তাঁকে খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি। বিশেষ করে মধ্যনগর এলাকার সাধারণ মানুষের অকৃত্রিম সহযোগিতা তাঁর এই কঠিন কাজটিকে আরও অনেক বেশি সহজ ও আনন্দদায়ক করে তুলেছিল।

 

চলচ্চিত্র নির্মাণের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে নওশাবা আরও জানান যে, ২০১৮ সাল থেকে তিনি নিয়মিতভাবে মঞ্চনাটকে নির্দেশনা দিয়ে আসছেন, কিন্তু পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে এটিই তাঁর জীবনের প্রথম ও সাহসী পদক্ষেপ।

 

এটি মূলত ‘গ্রিন ফিল্মস’-এর ব্যানারে নির্মিত হয়েছে, যা ‘ইন্টারন্যাশনাল একাডেমি ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া’-এর আওতাধীন একটি বিশেষ প্রকল্প। এমন একটি আন্তর্জাতিক মানের প্রকল্পের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকতে পেরে তিনি ব্যক্তিগতভাবে অত্যন্ত গর্বিত ও আনন্দিত।

 

তিনি আরও জানিয়েছেন যে, এই চলচ্চিত্রটি বিভিন্ন মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শনের পাশাপাশি দেশের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে হাওর অঞ্চলের প্রান্তিক মানুষরা যেন অত্যন্ত সহজে সিনেমাটি দেখতে পারেন, তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

নিয়মিতভাবে আরও নতুন সিনেমা নির্মাণের প্রবল ইচ্ছা থাকলেও সেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে পর্যাপ্ত পৃষ্ঠপোষকতার প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। এর বাইরেও তিনি ‘আগুনী’ নামের একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ নিয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করেছেন।

 

শুধু তাই নয়, মঞ্চনাটকের জন্য তাঁর নিজের প্রতিষ্ঠিত সংগঠন ‘টুগেদার উই ক্যান’-এর বিশেষ উদ্যোগে তিনি ‘ধরনীর গান’ নামের একটি ব্যতিক্রমী প্রযোজনাও তৈরি করছেন। এটি মূলত একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বা ইনক্লুসিভ সংগীতের বিশাল আয়োজন, যেখানে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও শারীরিক প্রতিবন্ধকতার শিকার মানুষদের একসঙ্গে যুক্ত করে একটি বৃহত্তর সামাজিক বার্তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।

 

তবে পর্যাপ্ত পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে এই মহৎ কাজটি আশানুরূপ গতিতে এগিয়ে নিতে তিনি বর্তমানে বেশ সমস্যায় পড়ছেন বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। এত সব বহুমুখী ব্যস্ততা, বাধা এবং নতুন সৃষ্টির উদ্দীপনার মাঝেই আপাতত তাঁর অভিনীত নতুন চলচ্চিত্র ‘চিরকুট’ ঘিরে দর্শকমহলে তৈরি হয়েছে এক নতুন আগ্রহ ও উন্মাদনা।

 

নব্বই দশকের সেই নির্মল আবহে নির্মিত নিখাদ প্রেমের এই কাহিনি বর্তমান প্রজন্মের আধুনিক দর্শকের মন কতটা গভীরভাবে ছুঁতে পারে, সেটিই এখন বিনোদন জগতে দেখার সবচেয়ে বড় অপেক্ষা।