শনিবার, অক্টোবর ৩, ২০২৬
১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ভারতের নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবি

১০ অক্টোবর ‘চলো দিল্লি’ আন্দোলনের ডাক দিল তরুণ প্রজন্ম

আর এন এস আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৩ অক্টোবর, ২০২৬, ০৫:০১ পিএম

১০ অক্টোবর ‘চলো দিল্লি’ আন্দোলনের ডাক দিল তরুণ প্রজন্ম
ছবি : NDTV

ভারতের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে আবারও বড় ধরনের বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। দেশটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এবং দেশব্যাপী ভোটার তালিকা সংশোধনে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তুলে আগামী ১০ অক্টোবর রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে ভারতের তরুণ প্রজন্মের বা জেন-জিদের রাজনৈতিক সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)।

 

‘চলো দিল্লি’ শীর্ষক এই বৃহৎ গণ-আন্দোলনের ঘোষণা শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করেন দলটির অন্যতম শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দিপকে।

 

ভারতের মতো একটি বৃহৎ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নির্বাচন কমিশনের মতো একটি স্বাধীন ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানের বিরুদ্ধে তরুণ সমাজের এই তীব্র অসন্তোষ ও রাজপথের কর্মসূচি আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহলেও ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।

 

সিজেপি নেতা অভিজিৎ দিপকে তার ঘোষণায় স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, জ্ঞানেশ কুমার যদি অবিলম্বে নিজ পদ থেকে ইস্তফা না দেন, তবে ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার তরুণ-তরুণী ও অধিকারকর্মীরা দিল্লিতে সমবেত হয়ে এই প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেবেন।

 

একইসঙ্গে দেশের যে সকল নাগরিক একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও প্রভাবমুক্ত নির্বাচন দেখতে চান, তাদের সকলকেই এই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে। দিল্লির এই বৃহৎ কর্মসূচির আগে গত শুক্রবার ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাইয়ের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ঐতিহাসিক শিবাজি পার্কে সংগঠনটির উদ্যোগে একটি বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

 

মুম্বাইয়ের প্রখর রোদ, প্রচণ্ড ভ্যাপসা গরম এবং স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কঠোর বিধিনিষেধ ও অনুমতি না থাকার বিষয়টি উপেক্ষা করে হাজার হাজার তরুণ-তরুণী এই বিক্ষোভে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

 

শিবাজি পার্ক এলাকার একাংশের স্থানীয় বাসিন্দারা এই রাজনৈতিক সমাবেশের বিরোধিতা করলেও, দাদর রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে কড়া নিরাপত্তার চাদর ভেদ করে তরুণ বিক্ষোভকারীরা সমবেত হন।

 

তাদের হাতে ছিল ভারতের জাতীয় পতাকা এবং নানাবিধ সৃজনশীল স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড। নতুন প্রজন্মের নিজস্ব ভাষা ও ব্যঙ্গাত্মক ভঙ্গিতে লেখা এই পোস্টারগুলোতে নির্বাচন কমিশনারকে সরাসরি আক্রমণ করে লেখা ছিল, ‘জ্ঞানু, তোমার কি গণতন্ত্রের ওপর বিন্দুমাত্র আস্থা নেই?’, ‘জ্ঞানেশ ব্রো, জাস্ট রিজাইন’ এবং ‘গাদ্দার জ্ঞানু মাস্ট গো’।

 

তরুণ প্রজন্মের এই অভিনব প্রতিবাদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে ভারতের স্টুডেন্ট ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া (এসএফআই) এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস ফেডারেশন (এআইএসএফ)-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের কর্মীরাও বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে এবং প্রতিবাদী স্লোগান দিয়ে এই মিছিলে অংশগ্রহণ করেন।

 

বিক্ষোভকারীদের মূল অভিযোগ মূলত ভারতের ভোটার তালিকা সংশোধন এবং নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক কিছু বিতর্কিত পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হচ্ছে। সিজেপি নেতা অভিজিৎ দিপকে তার বক্তব্যে অত্যন্ত গুরুতর একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরে দাবি করেন যে, গত দুই বছরের ব্যবধানে ভারতের ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ১৩ কোটি বৈধ ভোটারের নাম সম্পূর্ণ অন্যায় ও সুকৌশলে বাদ দেওয়া হয়েছে।

 

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও বিশ্লেষকদের মতে, এই অভিযোগ যদি বিন্দুমাত্রও সত্য হয়, তবে তা বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের ভিত্তিমূলে একটি বড় আঘাত। দিপকের দেওয়া তথ্যমতে, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ভারতে মোট নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ছিল প্রায় ৯৭ কোটি।

 

ওই নির্বাচনে ক্ষমতাসীন এনডিএ জোট এবং বিরোধী দলগুলোর সমন্বয়ে গঠিত ‘ইন্ডিয়া’ জোটের প্রাপ্ত ভোটের ব্যবধান ছিল মাত্র ২ শতাংশ। আন্দোলনকারী নেতাদের অভিযোগ, ভোটের এই সামান্য ব্যবধানকে ক্ষমতাসীন দলের অনুকূলে নেওয়ার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যেই জাতীয় নির্বাচনের মাত্র ১৫ দিন আগে তড়িঘড়ি করে জ্ঞানেশ কুমারকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

 

এটি কোনো সাধারণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ছিল না, বরং নির্বাচনের ফলাফল পূর্বনির্ধারিত করার একটি সুগভীর রাজনৈতিক নীলনকশা ছিল বলে তারা মনে করেন। তরুণ এই রাজনৈতিক নেতার অভিযোগ কেবল জাতীয় নির্বাচনের পরিসংখ্যানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং তিনি ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভা ও স্থানীয় নির্বাচনগুলোতেও ক্ষমতাসীন দল বিজেপির বিরুদ্ধে ‘ভোট চুরি’ ও পদ্ধতিগত কারচুপির ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেন।

 

তিনি উদাহরণ টেনে বলেন, মহারাষ্ট্রের বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে ভোটার তালিকায় প্রায় ৪০ লাখ নতুন ও ভুয়া ভোটার যুক্ত করা হয়েছিল, যার মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত রায়কে ছিনতাই করা হয়েছে।

 

একইভাবে, ভারতের রাজধানী দিল্লির রাজনীতিতে আম আদমি পার্টির (আপ) অবিসংবাদিত নেতা ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিধানসভা কেন্দ্র থেকে সুকৌশলে প্রায় ৪০ হাজার বৈধ ভোটারের নাম কেটে দেওয়া হয়েছিল।

 

এর প্রত্যক্ষ ফলস্বরূপ কেজরিওয়ালকে প্রায় ৪ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজয় বরণ করতে হয় বলে দিপকে দাবি করেন। দক্ষিণ ভারতের রাজনীতিতে তামিলনাড়ুর সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও প্রভাবশালী নেতা এম কে স্ট্যালিনের পরাজয়ের পেছনেও একই কৌশল অবলম্বন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

সেখানে তার নির্বাচনী এলাকা থেকে প্রায় এক লাখ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার পর তিনি ১০ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রেও ঠিক একই ধরনের কাঠামোগত কারচুপির ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে ককরোচ জনতা পার্টির পক্ষ থেকে জোরালো দাবি করা হয়েছে।

 

অবশ্য, নির্বাচন কমিশন ও ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সমর্থকরা তরুণ প্রজন্মের এই দাবিগুলোকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাদের যুক্তি হলো, ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা অত্যন্ত মজবুত এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বাধীন।

 

এর সপক্ষে তারা উদাহরণ হিসেবে তেলেঙ্গানা, কর্ণাটক এবং ঝাড়খণ্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যগুলোতে বিরোধী দলগুলোর সাম্প্রতিক নির্বাচনী বিজয়ের বিষয়টি তুলে ধরেন। তাদের মতে, নির্বাচন যদি সত্যিই ক্ষমতাসীনদের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণে থাকত, তবে বিরোধী দলগুলো কখনোই এসব রাজ্যে জয়লাভ করতে পারত না।

 

তবে বিজেপি সমর্থকদের এই যুক্তির অত্যন্ত তীক্ষ্ণ ও বুদ্ধিবৃত্তিক জবাব দিয়েছেন অভিজিৎ দিপকে। ক্রিকেট খেলার একটি জনপ্রিয় উপমা ব্যবহার করে তিনি বলেন, ‘যখন কোনো ক্রিকেট ম্যাচ পাতানো বা ফিক্সিং করা হয়, তখন তার অর্থ এই নয় যে বোলার প্রতিটি বলেই নো-বল করবেন অথবা ফিল্ডাররা প্রতিটি ক্যাচই ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দেবেন।’

 

তার এই মন্তব্যটি ভারতের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নির্বাচন প্রক্রিয়ার সূক্ষ্ম কারচুপি নিয়ে নতুন করে চিন্তার উদ্রেক করেছে। আন্দোলনের আরেক শীর্ষ নেতা অজিঙ্ক্য শিন্ডে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তাদের দাবিগুলোকে আরও সুনির্দিষ্ট ও কাঠামোগত রূপ দিয়েছেন।

 

তিনি কেবল প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগই দাবি করেননি, বরং তার বিরুদ্ধে সাংবিধানিক নিয়ম লঙ্ঘন এবং গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের অভিযোগে অবিলম্বে ফৌজদারি আইনি কার্যক্রম শুরু করার জোর দাবি জানিয়েছেন।

 

এছাড়া, ২০২৫ সালের জন্য যে নতুন ভোটার তালিকা প্রণয়নের কাজ চলছে, তা সম্পূর্ণ স্থগিত করার আহ্বান জানিয়েছে সিজেপি। এর পাশাপাশি, তাদের অন্যতম প্রধান একটি দাবি হলো ২০২৩ সালে প্রণীত নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত বিতর্কিত আইনটি অবিলম্বে বাতিল করা।

 

সমালোচকদের মতে, ওই আইনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনে নিয়োগের ক্ষেত্রে ভারতের স্বাধীন বিচারব্যবস্থার ভূমিকা খর্ব করা হয়েছে এবং ক্ষমতাসীন সরকারের একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করা হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

 

বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারের অন্যতম আলোচিত ও বিতর্কিত প্রস্তাব ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ নীতিরও তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে এই বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে। সিজেপি নেতাদের দাবি, একযোগে সারা দেশে সমস্ত নির্বাচন অনুষ্ঠানের যে প্রস্তাব সরকার সামনে এনেছে, তার প্রকৃত ও সুপ্ত উদ্দেশ্য হলো ‘এক দেশ, এক নির্বাচন, এক দল’ ব্যবস্থা কায়েম করা।

 

তারা অভিযোগ করেন যে, বিজেপি সুপরিকল্পিতভাবে ভারতের বৈচিত্র্যময় রাজনৈতিক কাঠামো থেকে আঞ্চলিক দলগুলোকে চিরতরে মুছে ফেলার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই মহারাষ্ট্রে শিবসেনা এবং ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি)-এর মতো শক্তিশালী আঞ্চলিক দলগুলোকে ভেঙে দুই টুকরো করা হয়েছে।

 

বর্তমান মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনার অংশটিকে সিজেপি নেতারা বিজেপির একটি ‘শেল কোম্পানি’ বা কাগুজে প্রতিষ্ঠান হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, যাদের নিজস্ব কোনো রাজনৈতিক আদর্শ বা স্বাধীনতা নেই।

 

তরুণ প্রজন্মের এই স্বতঃস্ফূর্ত রাজনৈতিক জাগরণ ও প্রতিবাদে ভারতের বিশিষ্ট নাগরিক সমাজ, বুদ্ধিজীবী এবং সংস্কৃতিকর্মীদের ব্যাপক সমর্থন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে, মাত্র দুই মাস আগে মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষা বা নিট-এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো ভয়াবহ দুর্নীতির প্রতিবাদে দিল্লির যন্তর মন্তরে যে বিশাল ছাত্র বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছিল, তার প্রসঙ্গ টেনে আন্দোলনকারীরা বলেন যে, বর্তমান ব্যবস্থা এতটাই ভঙ্গুর ও অযোগ্য হয়ে পড়েছে যে দেশের তরুণ সমাজকে তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে আবারও রাজপথে নামতে হচ্ছে।

 

তরুণদের এই যৌক্তিক আন্দোলনে সংহতি জানাতে শিবাজি পার্কের ওই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রখ্যাত অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ, কিংবদন্তি অভিনেত্রী শাবানা আজমি, প্রথিতযশা চলচ্চিত্র নির্মাতা বিশাল ভরদ্বাজ ও হানসাল মেহতা, জনপ্রিয় সংগীত পরিচালক বিশাল দাদলানি এবং ভারতের জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র তুষার গান্ধী।

 

সমাজের এতগুলো বিশিষ্ট ব্যক্তির উপস্থিতি এই আন্দোলনকে কেবল তরুণদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেনি, বরং এটিকে একটি সর্বজনীন ও জাতীয় পর্যায়ের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের সংগ্রামে পরিণত করেছে। আগামী ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রস্তাবিত বিক্ষোভ কর্মসূচি সফল হলে তা ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

 

- এনডিটিভি