মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৩, ২০২৬
২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোদিবিরোধী বিক্ষোভে তরুণদের অভিনব কৌশল, নজরদারি এড়াতে মুখোশ ও মেকআপ

আর এন এস আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ০৫:৫৮ পিএম

মোদিবিরোধী বিক্ষোভে তরুণদের অভিনব কৌশল, নজরদারি এড়াতে মুখোশ ও মেকআপ
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে সাম্প্রতিক সময়ে এক অভাবনীয় রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং প্রতিবাদের দৃশ্যপট তৈরি হয়েছে, যেখানে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা ও ব্যাপক ধরপাকড়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তরুণ বিক্ষোভকারীরা আন্দোলন চালিয়ে যেতে নিত্যনতুন ও অভিনব কৌশল অবলম্বন করছেন।

 

ভারতের নির্বাচন কমিশনের প্রধান জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে চলমান এই তুমুল আন্দোলন দমনে প্রশাসন যখন কঠোর অবস্থান নিয়েছে, ঠিক তখনই আধুনিক প্রযুক্তি ও নিজস্ব উদ্ভাবনী কৌশলকে প্রতিবাদের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থী ও তরুণরা।

 

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে চলমান এই বিক্ষোভে তরুণ আন্দোলনকারীরা পুলিশের বহুমুখী নজরদারি এবং পদে পদে তৈরি করা বাধা এড়িয়ে নিজেদের কর্মসূচি সফল করতে এমন সব পদ্ধতির আশ্রয় নিচ্ছেন, যা আগে কখনো সেভাবে দেখা যায়নি।

 

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে হাজার হাজার পুলিশ ও দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণকারী নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে এবং বিক্ষোভের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ঐতিহাসিক যন্তর মন্তরে প্রবেশের ওপর কার্যত অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

 

এর জবাবে আন্দোলনকারীরা পূর্বঘোষিত কর্মসূচির বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ বিকল্প স্থানগুলোতে আকস্মিক সমাবেশ বা ফ্ল্যাশ মবের আয়োজন করছেন। ফলে, অনেক ক্ষেত্রে আগে থেকে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও বিক্ষোভকারীদের গতিবিধি ঠেকাতে এবং পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখতে চরম হিমশিম খাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

 

মূলত, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ গ্রহণের অভিযোগ এবং এর জেরে সৃষ্ট দেশব্যাপী বিতর্কের কারণেই নির্বাচন কমিশনের প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে এই আন্দোলন ক্রমশ বেগবান হচ্ছে।

 

বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে সুস্পষ্টভাবে অভিযোগ তোলা হয়েছে যে, ভোটার তালিকা থেকে সুকৌশলে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার এই বিতর্কিত প্রক্রিয়াটি মূলত ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপিকে আসন্ন নির্বাচনগুলোতে অন্যায্য সুবিধা প্রদান করতে পারে।

 

যদিও ভারতের নির্বাচন কমিশন তাদের বিরুদ্ধে ওঠা এই রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করে জোরালো দাবি করেছে যে, এটি একটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও রুটিন প্রক্রিয়া।

 

আন্দোলন দমনের নামে দেশজুড়ে পুলিশি ধরপাকড় যখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে, তখন আটক হওয়া রাজনৈতিক সহযোদ্ধাদের খুঁজে বের করে তাদের প্রয়োজনীয় আইনি, চিকিৎসাগত ও মানবিক সহায়তা দিতে সম্পূর্ণ প্রযুক্তিনির্ভর এক অনন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন তরুণ স্বেচ্ছাসেবীরা।

 

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করা এই উদ্যোগে ৩৬ বছর বয়সি পরিচিত কনটেন্ট নির্মাতা মেঘনাদ এসের নেতৃত্বে প্রায় ১৭০ জনের একটি সুদক্ষ ও নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন করা হয়েছে, যারা সার্বক্ষণিকভাবে পুলিশি যানবাহনের অবস্থান নিবিড়ভাবে অনুসরণ করছেন।

 

এই তরুণেরা অত্যন্ত সুসংগঠিতভাবে অফলাইন মানচিত্র ও স্মার্টফোনের মাধ্যমে আটক ব্যক্তিদের কোথায় বা কোন নির্দিষ্ট থানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, সেই তথ্য অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে সংগ্রহ করছেন এবং সংগৃহীত সেই ডেটাগুলো একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ড্যাশবোর্ডে তাৎক্ষণিকভাবে যুক্ত করছেন।

 

এরপর হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মতো জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে স্বেচ্ছাসেবী চালকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে এবং তাদের কাছে প্রয়োজনীয় সব গোপন তথ্য পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

 

আটক হওয়া এই রাজনৈতিক বন্দি বা বিক্ষোভকারীদের সহায়তার জন্য যাত্রার সময় পর্যাপ্ত খাবার, পানীয় জল এবং যানবাহনের জ্বালানির যথাযথ ব্যবস্থা আছে কি না, তা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করা হয়।

 

শুধু তাই নয়, যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে প্রয়োজন সাপেক্ষে স্বেচ্ছাসেবক দলের সঙ্গে পেশাদার চিকিৎসকদেরও রাখা হচ্ছে, যাতে দীর্ঘ যাত্রাপথে বা পুলিশি হেফাজতে থাকা অবস্থায় প্রচণ্ড গরমে বা অন্য কোনো কারণে কেউ শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়।

 

বিক্ষোভকারীদের নিজস্ব পরিচয় গোপন রাখা এবং রাষ্ট্রীয় বাহিনীর ডিজিটাল নজরদারি থেকে নিজেদের রক্ষা করার ক্ষেত্রে মুখোশ ও মেকআপ ব্যবহারের মতো অত্যন্ত অভিনব ঘটনাও এবার ব্যাপকভাবে সামনে এসেছে।

 

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অত্যাধুনিক মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ বা ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তিকে ফাঁকি দিতে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী বিখ্যাত কমিক চরিত্র ব্যাটম্যানের মুখোশ পরে রাজপথের বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে গেছে।

 

এমনকি, জনপ্রিয় বলিউড অভিনেত্রী রিচা চাড্ডাও তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্যে মুখে বিশেষ ধরনের মেকআপ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছেন, যাতে করে রাস্তায় বসানো সিসিটিভি ক্যামেরা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি তাদেরকে সহজে চিহ্নিত করতে না পারে।

 

এই অভাবনীয় আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকা পরিচিত শিক্ষার্থী নেত্রী নেহা বোরার একটি ঘটনা এই প্রেক্ষাপটে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নেহা বোরার সঙ্গে চেহারার কিছুটা মিল থাকায় সম্পূর্ণ নিরপরাধ অন্য এক নারীকে পুলিশ ভুলবশত রাস্তা থেকে আটক করেছিল।

 

পরবর্তীতে নেহা বোরার সঙ্গে ওই নারীর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশের নজরদারি ব্যবস্থার মারাত্মক ত্রুটি ও নির্বিচার আটকের বিষয়টি নিয়ে সুশীল সমাজে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

 

এ ছাড়া, বিক্ষোভ চলাকালীন পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পরও কিছু অদম্য আন্দোলনকারী চলন্ত পুলিশি যানবাহন থেকে অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেছেন। এসব বিচ্ছিন্ন কিন্তু রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনায় রাজপথে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের একধরনের স্নায়ুযুদ্ধ বা ‘ইঁদুর-বিড়াল’ খেলা তৈরি হয়েছে, যা পুরো পরিস্থিতিকে আরও বেশি উত্তেজনাকর ও সংঘাতময় করে তুলেছে।

 

ভারতের এই সাম্প্রতিক ও তীব্র আন্দোলনের মূল সূত্রপাত মূলত বিতর্কিত ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে সৃষ্ট গভীর রাজনৈতিক সংকট থেকে। বিরোধী রাজনৈতিক দল এবং অধিকারকর্মী আন্দোলনকারীদের দীর্ঘদিনের সুস্পষ্ট অভিযোগ, এই সংশোধনী প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ বেআইনি ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অসংখ্য বৈধ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, যার প্রত্যক্ষ ও দীর্ঘমেয়াদি সুফল পাবে ক্ষমতাসীন দল বিজেপি।

 

বিশেষ করে, মুসলিমসহ অন্যান্য সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ভোটাররাই এই প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন এবং তাদের সুকৌশলে গণতান্ত্রিক ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে বলে অত্যন্ত গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

 

তবে, বরাবরের মতোই ভারতের নির্বাচন কমিশন এবং ক্ষমতাসীন দল বিজেপি উভয় পক্ষই এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। নির্বাচন কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য অনুযায়ী, যেসব ভোটার ইতোমধ্যে মারা গেছেন, অন্য স্থানে স্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত হয়েছেন অথবা যাদের ঠিকানায় কোনোভাবেই শনাক্ত করা যায়নি-মূলত সেই সব ভোটারের তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের অংশ হিসেবেই অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে এই তালিকা সংশোধন করা হয়েছে।

 

কিন্তু নির্বাচন কমিশনের এই আনুষ্ঠানিক আশ্বাসে একেবারেই সন্তুষ্ট হতে পারেনি আন্দোলনকারীরা। গত সপ্তাহান্তে দেশজুড়ে বিক্ষোভ দমনে পুলিশের ব্যাপক ধরপাকড়, জলকামান ব্যবহার ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের পরও এই আন্দোলন একটুও থামেনি, বরং আন্দোলনকারীরা নির্বাচন কমিশনের প্রধান জ্ঞানেশ কুমারের নিঃশর্ত পদত্যাগের দাবিতে তাদের রাজপথের এই প্রতিবাদ কর্মসূচি আগামী দিনগুলোতে আরও জোরদার করার প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়েছেন।

 

গত কয়েক মাস ধরে ভারতের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে তরুণদের নেতৃত্বাধীন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যুতে লাগাতার আন্দোলন সংগঠিত করে আসছে, যা নরেন্দ্র মোদি সরকারের সামনে এক সম্পূর্ণ নতুন ও অভাবনীয় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে।

 

সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জরাজীর্ণ অবকাঠামো সংস্কার, দেশজুড়ে ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব দূরীকরণে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক ও নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়গুলো নিয়ে শুরু হওয়া তাদের এই সাধারণ প্রতিবাদ এখন আর কোনো নির্দিষ্ট শিক্ষাঙ্গন বা গণ্ডিতে আবদ্ধ নেই।

 

বরং তা ধীরে ধীরে আরও বিস্তৃত হয়ে এক বিশাল সরকারবিরোধী জাতীয় রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। এর আগে বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতেও এই তরুণদের আন্দোলন অত্যন্ত জোরালো আকার ধারণ করেছিল, যা সরকারকে বেশ চাপে ফেলেছিল।

 

সাম্প্রতিক এই তীব্র বিক্ষোভে সাধারণ শিক্ষার্থী, তরুণ অধিকারকর্মী এবং প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এই আন্দোলনকে সমাজের সর্বস্তরে আরও বেশি বিস্তৃত ও সর্বজনীন গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।

 

পুলিশের কঠোর ও দমনপীড়নমূলক অবস্থানের মধ্যেও বিক্ষোভকারীদের এই ধরনের আধুনিক প্রযুক্তি ও বিকল্প কৌশল ব্যবহার করে নিজেদের প্রতিবাদী কর্মসূচি সফলভাবে চালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ভারতের সমসাময়িক রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসে এক সম্পূর্ণ নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

 

তরুণ প্রজন্মের এই স্বতঃস্ফূর্ত ও বাধভাঙা আন্দোলন এখন আর শুধুমাত্র ভোটার তালিকা সংশোধনের ত্রুটি নিয়ে অভিযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং এটি এখন তরুণদের কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা, প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ এবং সর্বোপরি বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে একজন সাধারণ নাগরিকের নির্বিঘ্নে প্রতিবাদ করার সাংবিধানিক অধিকার নিয়ে পুঞ্জীভূত দীর্ঘদিনের অসন্তোষের এক বিশাল বহিঃপ্রকাশ হিসেবেই আন্তর্জাতিক মহলের সামনে উঠে আসছে।

 

ফলে, এই ক্রমবর্ধমান আন্দোলন মোকাবিলায় সরকারের শুধু কঠোর নিরাপত্তামূলক ও পুলিশি পদক্ষেপই যথেষ্ট নয়, বরং আন্দোলনকারীদের উত্থাপিত যুক্তিসংগত অভিযোগগুলোর সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত এবং শাসনব্যবস্থায় জবাবদিহির প্রশ্নটিও এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।

 

- দ্য জাপান টাইমস