এই নির্বাচনের আগে কেপি প্রাদেশিক পরিষদে ৯২ সদস্যের ক্ষমতাসীন দল এবং ৫৩ সদস্যের বিরোধী জোট একটি সমঝোতায় পৌঁছেছিল। সেই চুক্তি অনুযায়ী, মোট ১১টি আসনের মধ্যে ৬টি পিটিআই এবং ৫টি বিরোধী দলকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়, যা ভোটের ফলাফলে প্রতিফলিত হয়েছে। এই সমঝোতার ফলে প্রদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি স্থিতিশীলতার বার্তা পাওয়া গেছে। পিটিআই-এর পক্ষে সাধারণ আসনে জয়ী হয়েছেন মুরাদ সাঈদ, ফয়সাল জাভেদ, মির্জা আফ্রিদি এবং নুরুল হক কাদরি। টেকনোক্র্যাট আসনে আজম স্বাতী এবং নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনে রুবিনা নাজ সেনেটর নির্বাচিত হয়েছেন।
অন্যদিকে, বিরোধী জোটের পক্ষ থেকে পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) তালহা মেহমুদ এবং জমিয়ত উলেমা-ই-ইসলাম-ফজলুর (জেইউআই-এফ) আতাউল হক সাধারণ আসনে জয় পেয়েছেন। এছাড়া পিপিপির রুবিনা খালিদ নারী আসনে এবং জেইউআই-এফ-এর দিলাওয়ার খান টেকনোক্র্যাট আসনে জয়ী হয়েছেন। উল্লেখ্য, কেপি প্রদেশে সেনেট নির্বাচন বেশ কয়েক মাস ধরে বিলম্বিত ছিল। মূলত, সংরক্ষিত আসনে বিরোধী সদস্যদের শপথ গ্রহণ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার কারণে নির্বাচক মণ্ডলী (electoral college) অসম্পূর্ণ থাকায় নির্বাচন কমিশন ভোটগ্রহণ স্থগিত করেছিল। পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর বিরোধী সদস্যরা শপথ নিলে নির্বাচনের পথ সুগম হয়। এদিকে, একই দিনে পাঞ্জাব প্রদেশে সেনেটের একটি শূন্য আসনে অনুষ্ঠিত উপ-নির্বাচনে পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) প্রার্থী হাফিজ আব্দুল করীম বিজয়ী হয়েছেন। অধ্যাপক সাজিদ মীরের মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়েছিল। এই জয়ের ফলে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে পিএমএল-এন-এর অবস্থান আরও শক্তিশালী হলো।
---