তাঁর এই মন্তব্য টানা এক দশকের বেশি সময় ধরে সামরিক বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে তাঁর এই উৎসব পালনের প্রথাকে নির্দেশ করে। সামরিক রণতরীর অভ্যন্তরে প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় নৌবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে মিষ্টি বিনিময় করেন এবং তাঁদের মনোবল বাড়াতে উৎসাহমূলক বক্তব্য দেন। আইএনএস বিক্রান্তে প্রধানমন্ত্রীর এই উপস্থিতি কেবল একটি উৎসব উদযাপন ছিল না, বরং এটি ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি সমগ্র জাতির সংহতি এবং গভীর কৃতজ্ঞতার একটি প্রতীকী বার্তা বহন করে। এই রণতরীটি ভারতের আত্মনির্ভরতা (self-reliance) এবং প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে দেশের সক্ষমতার এক বিশাল প্রতীক। প্রধানমন্ত্রীর মতে, তাঁর এই উদযাপন সীমান্ত রক্ষায় নিয়োজিত সৈনিকদের কঠিন আত্মত্যাগ ও সেবার প্রতি জাতির সম্মান জানানোর একটি মাধ্যম।
প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে যে, মোদি তাঁর এই ধরনের সামরিক কেন্দ্রে দীপাবলি উদযাপনের মাধ্যমে দেশের সাধারণ জনগণকে প্রতিরক্ষা বাহিনীর পাশে থাকার এবং তাঁদের উৎসাহিত করার জন্য অনুপ্রাণিত করেন। তিনি সামরিক কর্মীদের ত্যাগ ও দেশের নিরাপত্তার প্রতি তাঁদের নিষ্ঠার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ভারতের সামরিক সক্ষমতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন আইএনএস বিক্রান্ত-এ মোদির এই দীপাবলি উদযাপন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এই রণতরীটি প্রমাণ করে যে, ভারত এখন প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে কেবল বিদেশি প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করছে না, বরং অভ্যন্তরীণভাবে বিশ্বমানের সামরিক সরঞ্জাম তৈরি করতে সক্ষম। সামরিক সদস্যদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উপস্থিতি তাঁদের পরিবার থেকে দূরে থাকার কষ্ট লাঘব করে এবং দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এক বিশাল অনুপ্রেরণা যোগায়। প্রধানমন্ত্রীর এই উদযাপন দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর মনোবলকে আরও দৃঢ় করার পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা ও সামরিক সক্ষমতার ওপর তাঁর সরকারের অবিচল মনোযোগকে পুনরায় নিশ্চিত করে।