সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬
১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জনমত জরিপকে ‘ভুয়া’ আখ্যা দিয়ে ৬০ শতাংশ জনসমর্থনের দাবি ট্রাম্পের

আর এন এস আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ০৫:৪৭ পিএম

জনমত জরিপকে ‘ভুয়া’ আখ্যা দিয়ে ৬০ শতাংশ জনসমর্থনের দাবি ট্রাম্পের
ছবি : Collected

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে আসন্ন ৩ নভেম্বরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে চরম উত্তেজনা ও নানামুখী সমীকরণ বিরাজ করছে। এই শ্বাসরুদ্ধকর নির্বাচনের ঠিক প্রাক্কালে প্রকাশিত একাধিক শীর্ষস্থানীয় ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জনমত জরিপে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় এক ব্যাপক ও ধারাবাহিক পতনের চিত্র অত্যন্ত স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।

 

তবে, মূলধারার গণমাধ্যম ও নির্ভরযোগ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালিত এসব জরিপের ফলাফলকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট বলে অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

 

তিনি অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে দাবি করেছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ জনগণের মধ্যে তার প্রকৃত ও বাস্তব সমর্থনের হার প্রায় ৬০ শতাংশের কাছাকাছি। একই সঙ্গে তিনি নিজের রাজনৈতিক অবস্থান ও জনপ্রিয়তার প্রতি পূর্ণ আস্থা জ্ঞাপন করে অত্যন্ত জোরালো ভাষায় মন্তব্য করেছেন যে, আসন্ন এই মহাগুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে তাকে পরাজিত করা বা হারানো কোনো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের পক্ষেই কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

 

আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে ট্রাম্পের এমন আগ্রাসী ও আত্মবিশ্বাসী মন্তব্য মার্কিন রাজনীতিতে নতুন করে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। গত শনিবার, ২৪ অক্টোবর, যুক্তরাষ্ট্রের সুপরিচিত ও রক্ষণশীল সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন এক্সামিনারের প্রখ্যাত রাজনৈতিক সাংবাদিক বাইরন ইয়র্ককে দেওয়া এক অত্যন্ত খোলামেলা ও বিস্তৃত সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এসব বিস্ফোরক ও চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেন।

 

ওই বিশেষ সাক্ষাৎকারে সাংবাদিক ইয়র্ক মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনের অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ডেটাবেস ‘রিয়েল ক্লিয়ার পলিটিকস’-এর বিভিন্ন জরিপের সমন্বিত ও গড় ফলাফল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সামনে তুলে ধরেন।

 

সেই পরিসংখ্যানগত উপাত্তে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে দেখা যায় যে, প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের সার্বিক দায়িত্ব পালন ও রাষ্ট্র পরিচালনার ধরনে বর্তমানে সন্তুষ্ট রয়েছেন মাত্র ৩৮ দশমিক ৮ শতাংশ মার্কিন নাগরিক। এর ঠিক বিপরীতে, তার প্রশাসনের নানা নীতি ও সিদ্ধান্তের প্রতি গভীর অসন্তোষ ও অনাস্থা প্রকাশ করেছেন দেশের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ, যা শতকরা হিসাবে প্রায় ৬০ দশমিক ৪ শতাংশ।

 

যখন এই হতাশাজনক ও নেতিবাচক জরিপের ফলাফলের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ব্যক্তিগত অভিমত ও প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয়, তখন তিনি অত্যন্ত সাবলীল ও সরাসরি ভাষায় কোনো প্রকার রাখঢাক না করেই পুরো বিষয়টিকে ‘এটি সম্পূর্ণ ভুয়া’ বলে আখ্যায়িত করেন।

 

সাক্ষাৎকার চলাকালে সাংবাদিক ইয়র্ক যখন ট্রাম্পের কাছে অত্যন্ত বিনীতভাবে জানতে চান যে, তিনি ব্যক্তিগতভাবে নিজের প্রকৃত জনসমর্থন ঠিক কত শতাংশ বলে মনে করেন বা বিশ্বাস করেন, তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট অত্যন্ত ক্ষিপ্রতার সঙ্গে তার চিরায়ত ভঙ্গিতে উত্তর দেন।

 

তিনি জরিপকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর তীব্র সমালোচনা করে বলেন, তারা বিভিন্ন মাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রচার করছে যে আমার প্রতি সাধারণ মানুষের সমর্থন মাত্র ৩৭ বা ৩৮ শতাংশ? আমি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বলে দিতে চাই, আমি কোনোভাবেই এই ৩৮ শতাংশের ঘরে নেই।

 

নিজের জনপ্রিয়তার পারদ সম্পর্কে শতভাগ নিশ্চিত ট্রাম্প আরও একধাপ এগিয়ে বলেন, আমার ব্যক্তিগতভাবে কখনোই এমনটা মনে হয় না যে, মার্কিন রাজনৈতিক ময়দানে এমন কেউ আছেন যিনি আমাকে আসন্ন নির্বাচনে হারাতে পারবেন।

 

তিনি অত্যন্ত দম্ভভরে উল্লেখ করেন, যদি পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে আমার জয়ের জন্য বিশাল সমর্থনের প্রয়োজন, যদিও বাস্তবতায় এখন তার বিন্দুমাত্রও প্রয়োজন নেই, তারপরও আমার প্রকৃত সমর্থন অনায়াসেই ৬০ শতাংশে পৌঁছাত বা তার চেয়েও অনেক বেশি হতো।

 

তবে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জনসমর্থন নিয়ে যে আকাশচুম্বী দাবি করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বেশ কয়েকটি সাম্প্রতিক ও অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য জনমত জরিপে ঠিক তার সম্পূর্ণ বিপরীত ও হতাশাজনক এক চিত্র উঠে এসেছে।

 

উদাহরণস্বরূপ, আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এবং বিশ্বখ্যাত গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইপসোসের যৌথ উদ্যোগে গত ১৬ থেকে ১৯ অক্টোবরের মধ্যে পরিচালিত এক ব্যাপক জনমত জরিপের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে।

 

সেই জরিপের অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর ফলাফলে দেখা গেছে, ট্রাম্পের প্রতি সুস্পষ্ট সমর্থন জানিয়েছেন মাত্র ৩৪ শতাংশ মার্কিন নাগরিক, যেখানে তার নীতির প্রতি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিশাল ৬৫ শতাংশ উত্তরদাতা।

 

অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও নিরপেক্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টার গত ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত যে নিবিড় জনমত জরিপটি পরিচালনা করেছিল, সেখানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জনপ্রিয়তার পারদ আরও নিম্নগামী বলে প্রমাণিত হয়েছে। ওই জরিপে তার প্রতি সমর্থন পাওয়া গেছে মাত্র ৩০ শতাংশ ভোটারের।

 

আর তার প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে অসন্তুষ্ট বলে সুস্পষ্ট মত দিয়েছেন প্রায় ৬৮ শতাংশ উত্তরদাতা, যা যেকোনো ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের জন্যই অত্যন্ত বড় একটি সতর্কবার্তা। শুধু তাই নয়, চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রভাবশালী ও ঐতিহ্যবাহী সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস এবং সিয়েনা কলেজের যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জরিপেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি মার্কিন নাগরিকদের সার্বিক সমর্থনের হার ছিল মাত্র ৩৪ শতাংশ।

 

নিউইয়র্ক টাইমসের গভীর বিশ্লেষণ ও ঐতিহাসিক তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কোনো ক্ষমতাসীন মার্কিন প্রেসিডেন্টের জনসমর্থন এতটা তলানিতে বা এত কম থাকার নজির আধুনিক মার্কিন রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত বিরল।

 

সর্বশেষ এমন ভয়াবহ রাজনৈতিক পরিস্থিতির দেখা মিলেছিল আজ থেকে প্রায় আট দশক আগে, অর্থাৎ ১৯৪৬ সালে। সে সময় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী নানা বৈশ্বিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের কারণে তৎকালীন ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যানের প্রতি মার্কিন জনগণের সমর্থন একেবারে ৩৩ শতাংশে নেমে এসেছিল।

 

সেই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তার এই অবিশ্বাস্য পতনের সরাসরি তুলনা করছেন অনেক বর্ষীয়ান রাজনৈতিক বিশ্লেষক। এদিকে, মার্কিন নির্বাচন ব্যবস্থায় জনমত জরিপের প্রভাব ও গুরুত্ব যখন তুঙ্গে, ঠিক সেই সময়ে জরিপ পরিচালনাকারী একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান ওয়েজউড রিসার্চের সম্পূর্ণ মনগড়া, ভুয়া ও বানোয়াট ফলাফল তৈরির একটি বিশাল কেলেঙ্কারির বিষয়টি গণমাধ্যমে ফাঁস হয়ে যাওয়ায় দেশজুড়ে জনমত জরিপের সার্বিক নির্ভরযোগ্যতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে এক নতুন ও তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

 

বিরোধী শিবির এই সুযোগে অন্যান্য জরিপের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার চেষ্টা করলেও, নিউইয়র্ক টাইমস তাদের এক সম্পাদকীয় বিবৃতিতে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে নিশ্চিত করেছে যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সার্বিক জনসমর্থনের গড় হিসাব বা পরিসংখ্যান তৈরির ক্ষেত্রে ওই বিতর্কিত ও অসাধু জরিপ প্রতিষ্ঠানটির কোনো তথ্যই তারা তাদের মূল্যায়নে ব্যবহার করেনি।

 

সুতরাং, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় যে ধস নেমেছে, তা অন্যান্য নির্ভরযোগ্য ডেটার ভিত্তিতেই প্রতিষ্ঠিত। সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজের অটুট জনপ্রিয়তার সপক্ষে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রধান রাজনৈতিক তথ্য বিশ্লেষক হ্যারি এনটেনের একটি সাম্প্রতিক ও বিশদ বিশ্লেষণ অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে তুলে ধরেন।

 

ওই বিশ্লেষণাত্মক প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছিল যে, ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ বা সংক্ষেপে ‘মাগা’ মতাদর্শে বিশ্বাসী কট্টর সমর্থক ও রিপাবলিকান ভোটারদের প্রায় ৯৯ শতাংশ ভোটই তিনি পেয়েছিলেন।

 

এমনকি গত সেপ্টেম্বর মাসে পরিচালিত জরিপেও এই নির্দিষ্ট ও নিবেদিতপ্রাণ গোষ্ঠীর মধ্যে তার প্রতি সমর্থনের হার ছিল অভাবনীয় ৯৮ শতাংশ। এই পরিসংখ্যানটি উল্লেখ করে ট্রাম্প অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, আমার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেকে মনে হয়, বর্তমানে সমগ্র দেশজুড়ে আমার প্রকৃত সমর্থন ৬০ শতাংশের ঘরেই অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে অবস্থান করছে।

 

বিশেষ করে রিপাবলিকান পার্টি এবং এর সমর্থকদের মধ্যে আমার সমর্থন, গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা অনেক বেশি শক্তিশালী এবং অটুট রয়েছে। তবে, সিএনএনের বিশ্লেষক হ্যারি এনটেনের সেই একই বিশ্লেষণাত্মক প্রতিবেদনে ট্রাম্পের জন্য বেশ কিছু অত্যন্ত নেতিবাচক ও উদ্বেগজনক তথ্যও উঠে এসেছিল, যা ট্রাম্প সুকৌশলে এড়িয়ে গেছেন।

 

বিশেষ করে মার্কিন অর্থনীতির অন্যতম প্রধান সংকট, অর্থাৎ লাগামহীন মূল্যস্ফীতি মোকাবিলায় বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসনের ভূমিকা ও পদক্ষেপ নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মাঝে জনঅসন্তোষ যে অবিশ্বাস্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, সেই তথ্যটি সেখানে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

 

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২৪ সালে যখন মূল্যস্ফীতি নিয়ে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি ও অসন্তুষ্টির ব্যবধান টানা হয়েছিল, তখন তা ট্রাম্পের পক্ষে ইতিবাচক ৮ শতাংশ পয়েন্টে অবস্থান করছিল। কিন্তু বর্তমানের চরম অর্থনৈতিক বাস্তবতায় সাধারণ মানুষের সেই আস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে এবং তা নেমে এসেছে মারাত্মক ঋণাত্মক ৪৫ পয়েন্টে, যা ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার চরম ব্যর্থতাকেই ইঙ্গিত করে।

 

এর পাশাপাশি রয়টার্স ও ইপসোসের একেবারে সাম্প্রতিক আরেকটি গভীর জনমত জরিপে দেখা গেছে যে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের সার্বিক সমর্থন আরও কমে একেবারে ৩১ শতাংশে নেমে এসেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি তার দুই মেয়াদের শাসনামলে এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন জনপ্রিয়তার রেকর্ড।

 

এই ভয়াবহ পতনের পরিস্থিতিকে সিএনএনের প্রখ্যাত বিশ্লেষক হ্যারি এনটেন তার রাজনৈতিক পর্যালোচনায় ট্রাম্পের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য একটি ‘পাঁচ মাত্রার ভয়াবহ বিপর্যয়’ বা ‘ক্যাটাগরি ফাইভ ডিজাস্টার’ হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বর্ণনা করেছেন।

 

এত সব চরম নেতিবাচক, হতাশাজনক ও বিরোধী পরিসংখ্যান থাকা সত্ত্বেও, সিএনএনের মতো একটি কট্টর সমালোচক নেটওয়ার্ক তাদের পরিসংখ্যানে রিপাবলিকান কট্টর সমর্থকদের মধ্যে ট্রাম্পের নিজের আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার একটি ইতিবাচক চিত্র তুলে ধরায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওই নেটওয়ার্কটির বেশ প্রশংসাই করেছেন।

 

নিজের চিরায়ত স্বভাব অনুযায়ী ট্রাম্প অত্যন্ত উৎফুল্ল হয়ে বলেন, আমাকে ও আমার মূল সমর্থকদের নিয়ে তারা বেশ কিছু ভালো, বস্তুনিষ্ঠ ও ইতিবাচক জরিপ প্রকাশ করেছে। সিএনএন যদি ভবিষ্যতে এ ধরনের বাস্তবসম্মত ও আমার পক্ষে যায় এমন জরিপ চালিয়ে যাওয়ার ধারা অব্যাহত রাখে, তাহলে আমি নিশ্চিতভাবে তাদেরকে আগের চেয়ে আরও অনেক বেশি পছন্দ করতে শুরু করব।