শনিবার খানকেন্ডি শহরে 'দ্য গ্লোবাল মিডিয়া ফোরাম' অনুষ্ঠানে আলিয়েভ বলেন, "ঠিক কী ঘটেছিল, তা আমরা জানি এবং আমরা তা প্রমাণও করতে পারি। আমরা নিশ্চিত যে রুশ কর্মকর্তারাও বিষয়টি জানেন।" তিনি মস্কোর নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে বলেন, একজন দায়িত্বশীল প্রতিবেশীর যা করা উচিত ছিল, রাশিয়া তা করেনি। আজারবাইজানের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে: ১. ঘটনার আনুষ্ঠানিক ও প্রকাশ্য স্বীকারোক্তি। ২. দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা। ৩. নিহতদের পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদান। ৪. বিধ্বস্ত বিমানটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ। এই দাবিগুলোকে আন্তর্জাতিক আইন এবং বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী সম্পর্কের ক্ষেত্রে "স্বাভাবিক প্রত্যাশা" বলে উল্লেখ করেন আলিয়েভ।
একই অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট আলিয়েভ আর্মেনিয়ার মধ্য দিয়ে আজারবাইজানের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে এর ছিটমহল নাখচিভানের সংযোগকারী একটি ট্রানজিট করিডোর চালুর ওপরও জোর দেন। তিনি বলেন, "আমরা আজারবাইজানের এক অংশ থেকে অন্য অংশে নির্বিঘ্ন রাষ্ট্রীয় প্রবেশাধিকারের কথা বলছি।" এই করিডোরের জন্য তিনি নির্ভরযোগ্য নিরাপত্তা নিশ্চয়তারও দাবি জানান। দক্ষিণ ককেশাসের এই করিডোরটি আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে শান্তি চুক্তির পথে একটি অন্যতম প্রধান বাধা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এই দুটি প্রতিবেশী দেশ কয়েক দশক ধরে একাধিক সংঘাতে লিপ্ত এবং তাদের মধ্যে তীব্র বৈরিতা বিদ্যমান।
---