এই ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেই সোমবার যুক্তরাজ্য ও জার্মানির সভাপতিত্বে ইউক্রেন ডিফেন্স কন্টাক্ট গ্রুপের একটি ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং ন্যাটোর প্রধান মার্ক রুটেসহ শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা যোগ দেন। আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত নতুন অস্ত্র পরিকল্পনা। ট্রাম্পের নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইউরোপীয় মিত্ররা তাদের কাছে থাকা মার্কিন অস্ত্র, বিশেষ করে প্যাট্রিয়ট এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, ন্যাটোর মাধ্যমে ইউক্রেনকে সরবরাহ করবে। বৈঠকে ইউক্রেনের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডেনিস শ্মিহাল এই প্রক্রিয়া দ্রুত করার জন্য মিত্রদের প্রতি আহ্বান জানান।
এই বৈঠকটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হলো যখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প রাশিয়াকে যুদ্ধবিরতির জন্য ৫০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন, অন্যথায় কঠোর নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ব্রিটিশ সরকার জানিয়েছে, তারা এই বৈঠকে কিয়েভকে প্রয়োজনীয় অস্ত্র সরবরাহের জন্য একটি "৫০ দিনের ড্রাইভ" চালু করার জন্য অংশীদারদের উৎসাহিত করেছে, যাতে রাশিয়াকে আলোচনার টেবিলে বসতে বাধ্য করা যায়। একদিকে যখন সামরিক সহায়তার চাপ বাড়ানো হচ্ছে, অন্যদিকে কूटনৈতিক প্রচেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে। বুধবার ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে পরবর্তী দফার শান্তি আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে তার আগে কিয়েভের ওপর এই ভয়াবহ হামলা আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
---