বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৭২ শতাংশ ভোট গণনা সম্পন্ন, হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে নেতানিয়াহু জোট

আর এন এস আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ০৩:১৬ পিএম

৭২ শতাংশ ভোট গণনা সম্পন্ন, হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে নেতানিয়াহু জোট
ছবি : Collected

মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক দৃশ্যপটে সবচেয়ে আলোচিত এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দু ইসরায়েলের সাধারণ নির্বাচন ঘিরে বর্তমানে সারা বিশ্বে এক চরম উত্তেজনা, উৎকণ্ঠা ও গভীর কৌতূহল বিরাজ করছে।

 

রাজনৈতিক বিভাজন এবং ক্ষমতার তীব্র দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনের ভোট গণনার কাজ অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির পক্ষ থেকে প্রদান করা সর্বশেষ আনুষ্ঠানিক তথ্য ও পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বহুল প্রতীক্ষিত এই পার্লামেন্ট বা নেসেট নির্বাচনের প্রায় ৭২ শতাংশ ভোট গণনার কাজ ইতোমধ্যেই অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এবং নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

 

এই বিশাল অংশের ব্যালট গণনার পর যে প্রাথমিক ও আংশিক ফলাফল বিশ্বের সামনে উন্মোচিত হয়েছে, তাতে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে যে দেশটির প্রবীণ, অভিজ্ঞ ও দীর্ঘকালীন প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন কট্টর ডানপন্থী জোট জনসমর্থনের এই দৌড়ে অন্যান্য রাজনৈতিক জোটগুলোর তুলনায় বেশ কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে থেকে শীর্ষস্থান দখল করে আছে।

 

তবে ইসরায়েলের অত্যন্ত খণ্ডিত, বহুমুখী এবং মেরুকৃত সমাজব্যবস্থা ও রাজনৈতিক কাঠামোর কারণে এই নির্বাচনে কোনো একক দলের বা জোটের পক্ষে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করা যে প্রায় অসম্ভব, তা এই ৭২ শতাংশ ভোট গণনার পরিসংখ্যানেই অত্যন্ত সুনিপুণভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে।

 

ইসরায়েলের নির্বাচন কমিশনের হালনাগাদ করা সর্বশেষ পরিসংখ্যান এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রাপ্ত তথ্য গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, প্রাপ্ত ভোটের এই প্রাথমিক ফলাফলের ভিত্তিতে ইসরায়েলের রাজনৈতিক জোটগুলোর মধ্যে এক তীব্র, স্নায়ুক্ষয়ী এবং শ্বাসরুদ্ধকর প্রতিদ্বন্দ্বিতা পরিলক্ষিত হচ্ছে।

 

এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত আনুষ্ঠানিক ফলাফলে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী ও রক্ষণশীল জোট ৫৪টি আসন নিজেদের পক্ষে নিশ্চিত করে অন্যান্যদের তুলনায় কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে, তাকে ক্ষমতার মসনদ থেকে চিরতরে বিদায় করার একমাত্র লক্ষ্য নিয়ে নির্বাচনী মাঠে অবতীর্ণ হওয়া তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী এবং দেশের সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন মধ্যপন্থী ও ধর্মনিরপেক্ষ বিরোধী জোট ৪৮টি আসন লাভ করে এক তীব্র ও হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের জন্ম দিয়েছে।

 

তবে ইসরায়েলের এই বিভক্ত রাজনৈতিক মানচিত্রে এবার সবচেয়ে বড় চমক এবং আলোচনার প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে দেশটির ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত আরব নাগরিকদের প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দলগুলো।

 

প্রাথমিক এই ফলাফল অনুযায়ী, আরব দলগুলো সম্মিলিতভাবে ১৮টি আসন নিজেদের দখলে নিতে সক্ষম হয়েছে, যা ইসরায়েলের সংসদীয় রাজনীতির ইতিহাসে একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও ঐতিহাসিক অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

 

ইসরায়েলের গণতান্ত্রিক ও আইনি ব্যবস্থা অনুযায়ী, নির্বাচনে সাধারণ নাগরিকরা সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট প্রার্থী বা ব্যক্তিকে তাদের মূল্যবান ভোট প্রদান করেন না; বরং তারা তাদের নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শের ভিত্তিতে সরাসরি নিবন্ধিত দলগুলোকে ভোট দিয়ে থাকেন।

 

প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হার অনুযায়ী দলগুলো ১২০ আসন বিশিষ্ট জাতীয় পার্লামেন্ট বা নেসেটে তাদের আইনি প্রতিনিধিত্ব লাভ করে থাকে। এই একক রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত আসনের সূক্ষ্ম পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন কট্টর ডানপন্থী ও জাতীয়তাবাদী লিকুদ পার্টি ২৭টি আসন লাভ করে দেশের একক বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হিসেবে নিজেদের শক্ত অবস্থান অক্ষুণ্ণ রেখেছে।

 

তার ঠিক পেছনেই প্রবল প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে গাদি আইজেনকটের ইয়াশার পার্টি, যারা ২১টি আসন নিজেদের ঝুলিতে পুরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শক্তিশালী রাজনৈতিক দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

 

আরব-নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ‘জয়েন্ট লিস্ট’ ১২টি আসন লাভ করে মূলধারার রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের রীতিমতো অবাক করে দিয়েছে। এছাড়া, দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের নেতৃত্বাধীন ‘টুগেদার’ বা ঐক্য জোট ১১টি আসন পেয়ে রাজনৈতিক প্রাসঙ্গিকতা বজায় রেখেছে।

 

অন্যদিকে, মধ্য-বামপন্থী ও উদারনৈতিক মূল্যবোধের ধারক হিসেবে পরিচিত ‘দ্য ডেমোক্র্যাটস’ ৮টি আসন এবং কট্টর ডানপন্থী ধর্মনিরপেক্ষ দল ‘ইসরায়েল বেইতেইনু’ ৮টি আসন পেতে সক্ষম হয়েছে। কট্টর ধর্মীয় এবং উগ্র ইহুদিবাদী জাতীয়তাবাদী দলগুলোর ফলাফলও ইসরায়েলের রাজনীতিতে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করছে।

 

কট্টর অর্থোডক্স ইহুদিদের প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দল ‘ইউনাইটেড তোরাহ জুদাইজম’ ৭টি আসন এবং সেফারডিক ইহুদিদের প্রতিনিধিত্বকারী দল ‘শাস’ ৭টি আসন পেয়েছে। উগ্র ডানপন্থী হিসেবে পরিচিত চরমপন্থী দল ‘জ্যুইশ পাওয়ার’ ৭টি আসন লাভ করেছে।

 

এর বাইরে, ‘রিলিজিয়াস জায়োনিজম এবং জেহুত’ সম্মিলিতভাবে ৬টি আসন এবং অপর আরব-নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দল ‘রাম’ ৬টি আসন নিজেদের দখলে নিতে সক্ষম হয়েছে। ইসরায়েলের রাজনৈতিক ও সংসদীয় কাঠামোর একটি অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য, বিরল এবং ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্য হলো, ১৯৪৮ সালে রাষ্ট্রটির প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত কোনো একক রাজনৈতিক দল কখনোই ১২০ আসন বিশিষ্ট নেসেটে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসনের জাদুকরী সংখ্যাগরিষ্ঠতা এককভাবে অর্জন করতে সক্ষম হয়নি।

 

ইসরায়েলের শাসনব্যবস্থা মূলত আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের জটিল সমীকরণের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়, যার ফলে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গন সবসময়ই বহুদলীয়, খণ্ডিত এবং তীব্র মতাদর্শগত বিভাজনে পূর্ণ থাকে।

 

এই ঐতিহাসিক বাস্তবতার কারণে দেশটিতে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সমমনা বা অনেক ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী রাজনৈতিক দলগুলোকে একত্রিত হয়ে দীর্ঘমেয়াদী দরকষাকষির মাধ্যমে একটি জোট বা কোয়ালিশন সরকার গঠন করা এক অপরিহার্য ও অলঙ্ঘনীয় নিয়মে পরিণত হয়েছে।

 

বর্তমান ৭২ শতাংশ ভোট গণনার যে সামগ্রিক চিত্র ফুটে উঠেছে, তাতে ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি আবারও একটি গভীর অচলাবস্থা, প্রশাসনিক স্থবিরতা বা ডেডলকের দিকে দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে বলে দেশি-বিদেশি রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা জোরালো আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

 

নেতানিয়াহুর ৫৪টি আসন এবং আইজেনকটের ৪৮টি আসন অত্যন্ত দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রমাণ করে যে, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম ৬১টি আসনের ম্যাজিক ফিগার বা সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে উভয় জোটই এখনও বেশ খানিকটা দূরে অবস্থান করছে।

 

এই জটিল ও শ্বাসরুদ্ধকর সংসদীয় সমীকরণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, প্রভাবশালী ও নির্ধারক শক্তি বা 'কিংমেকার' হিসেবে সম্পূর্ণ অভাবনীয়ভাবে আবির্ভূত হয়েছে ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত আরব দলগুলো, যাদের হাতে রয়েছে ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষাকারী মহামূল্যবান ১৮টি আসন।

 

বর্তমান রাজনৈতিক দৃশ্যপটে আরব দলগুলোর আনুষ্ঠানিক সমর্থন, জোটবদ্ধতা বা অন্তত পরোক্ষ আইনি সম্মতি ছাড়া কোনো ইহুদিবাদী জোটেরই সরকার গঠনের ন্যূনতম কোনো গাণিতিক সম্ভাবনা এই মুহূর্তে দেখা যাচ্ছে না।

 

ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী ও উগ্র জাতীয়তাবাদী দলগুলোর জন্য আরব দলগুলোর সাথে ক্ষমতা ভাগাভাগি বা জোটবদ্ধ হয়ে সরকার গঠন করা আদর্শগতভাবে অত্যন্ত কঠিন, রাজনৈতিকভাবে সম্মানহানিকর এবং প্রায় অসম্ভব একটি ব্যাপার।

 

ইসরায়েলের অতীত রাজনৈতিক ইতিহাস গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মূলধারার ইহুদিবাদী রাজনৈতিক দলগুলো সাধারণত রাষ্ট্রের শীর্ষ নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আরব দলগুলোকে সরকারে অন্তর্ভুক্ত করতে বা তাদের ওপর নির্ভরশীল হতে চরম অনীহা ও তীব্র আপত্তি প্রকাশ করে থাকে।

 

কিন্তু এবারের নির্বাচনের গাণিতিক হিসাব ও রাজনৈতিক বাস্তবতা এতটাই নির্মম ও কঠিন যে, আদর্শিক বিভেদ ও ঐতিহাসিক জাতিগত তিক্ততা ভুলে আরব দলগুলোর সাথে নজিরবিহীন কোনো গোপন বা প্রকাশ্য সমঝোতায় পৌঁছানো ছাড়া ক্ষমতার মসনদে বসার আর কোনো বিকল্প পথ কোনো জোটের সামনে খোলা নেই।

 

এই চরম রাজনৈতিক সংকট ও মেরুকরণ ইসরায়েলি সমাজের ভেতরের গভীর আদর্শিক, ধর্মীয় ও জাতিগত বিভাজনকেই অত্যন্ত স্পষ্টভাবে এবং উলঙ্গভাবে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরছে। ইসরায়েলের জটিল আইনি কাঠামো ও সাংবিধানিক রীতিনীতি অনুযায়ী, নির্বাচনের প্রতিটি ব্যালট গণনা সম্পূর্ণ শেষ হওয়ার পর যখন কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি চূড়ান্ত ও আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশ করবে, তখন দেশের প্রেসিডেন্টের ওপর একটি ঐতিহাসিক, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল দায়িত্ব বর্তাবে।

 

নিয়ম অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট তখন পার্লামেন্টে নবনির্বাচিত প্রতিটি রাজনৈতিক দলের প্রধানদের সঙ্গে তার সরকারি বাসভবনে পর্যায়ক্রমে আনুষ্ঠানিক আলোচনা ও পরামর্শ শুরু করবেন। এই দীর্ঘ আলোচনার পর তিনি সেই দলীয় নেতাকেই সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক আহ্বান জানাবেন, যার নেসেটে আস্থা ভোটে জয়ী হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের সর্বোচ্চ আইনি ও রাজনৈতিক সম্ভাবনা রয়েছে।

 

সরকার গঠনের এই আনুষ্ঠানিক ম্যান্ডেট বা দায়িত্ব পাওয়ার পর মনোনীত প্রার্থী একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা পাবেন অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মন্ত্রণালয় বণ্টন, রাষ্ট্রীয় বাজেট বরাদ্দ, নীতিগত ছাড় এবং আসন সমঝোতার বিষয়ে নিবিড় ও ক্লান্তিকর দরকষাকষি করার জন্য।

 

যদি তিনি এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভিন্ন মতাদর্শের দলগুলোকে এক ছাতার নিচে এনে একটি কার্যকরী কোয়ালিশন সরকার গঠনে চরমভাবে ব্যর্থ হন, তবে দেশটিকে হয়তো সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে আবারও একটি ব্যয়বহুল, তিক্ত ও অনিশ্চিত সাধারণ নির্বাচনের দিকে এগোতে হবে।

 

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে ইসরায়েলের প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলো অত্যন্ত নিবিড়ভাবে ও সতর্কতার সঙ্গে এই নির্বাচনের প্রতিটি মুহূর্তের খবরের দিকে নজর রাখছে।

 

কারণ, এই নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলের ওপর এবং নতুন জোট সরকারের বৈদেশিক নীতির ওপরই ফিলিস্তিন ইস্যুর ভবিষ্যৎ, ইরানের সাথে চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘমেয়াদী শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার সমীকরণ ওতপ্রোতভাবে জড়িত রয়েছে। পুরো বিশ্ব এখন রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করছে ইসরায়েলের নতুন রাজনৈতিক মানচিত্র ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের চূড়ান্ত রূপরেখা দেখার জন্য।

 

- আল জাজিরা