গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়া এই নিয়মে বলা হয়েছে, প্রতিদিন দুপুর ১:১৫ থেকে ১:৪৫ মিনিটের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট সময় নামাজের জন্য বরাদ্দ রাখতে হবে এবং এই সময়ে সব ধরনের ক্লাস ও অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। শিক্ষার্থীরাই আজান দেবে এবং নামাজের আয়োজন করবে। ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য আলাদা আলাদা জামাতের ব্যবস্থা থাকবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, “স্কুল শুধুমাত্র জ্ঞান অর্জনের স্থান নয়, এটি নৈতিকতা শেখারও জায়গা।” এই পদক্ষেপটিকে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি তাদের ধর্মীয় এবং নৈতিক ভিত্তি শক্তিশালী করার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও এই নিয়মটি বেসরকারি স্কুলগুলোর জন্য বাধ্যতামূলক নয়, তবে অনেক বেসরকারি স্কুলেও আগে থেকেই স্বেচ্ছায় নামাজের ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই সিদ্ধান্তটি দেশটির শিক্ষা ব্যবস্থায় ইসলামী মূল্যবোধকে আরও সুসংহত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আধুনিকায়নের পাশাপাশি নিজেদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়কে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে টিকিয়ে রাখার জন্য দেশটির রাষ্ট্রীয় নীতিরই এটি একটি প্রতিফলন।