স্থানীয় দৈনিক ‘আল আনবা’-এর বরাতে ‘গাফল নিউজ’ জানিয়েছে, মন্ত্রণালয় এই নির্দেশিকাটি দেশের সব ইমাম ও মুয়াজ্জিনের কাছে পাঠিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ব্যতীত মসজিদে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ক্যামেরা স্থাপন বা তদারকি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো-মসজিদগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, স্থাপনাগুলোকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নামাজ আদায়ের জন্য আগত মুসল্লিদের নিরাপত্তা বজায় রাখা। একই সঙ্গে, নজরদারি ব্যবস্থার প্রশাসনিক তদারকি সম্পূর্ণরূপে সরকারের হাতে রাখা এই নীতির অন্যতম উদ্দেশ্য। এর মাধ্যমে মসজিদ পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় একটি একক মানদণ্ড নিশ্চিত করার চলমান প্রচেষ্টাকে শক্তিশালী করা হবে।
নতুন নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, অননুমোদিত ক্যামেরা স্থাপন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ থাকবে। যদি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সিসিটিভি ক্যামেরা দান করতে চায়, তবে তা স্থাপনের আগে অবশ্যই মসজিদ প্রশাসনকে মন্ত্রণালয়ের কাছে তথ্য জমা দিতে হবে।
ইতিমধ্যে স্থাপন করা যেকোনো অননুমোদিত ক্যামেরাগুলোর তথ্যও তাৎক্ষণিকভাবে কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে। মন্ত্রণালয় সতর্ক করেছে যে, কোনো ইমাম বা মুয়াজ্জিন যদি অননুমোদিত ক্যামেরার বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তাদের আইনগতভাবে দায়ী করা হবে।
মন্ত্রণালয় আরও নিশ্চিত করেছে যে, এই নীতিমালা তাদের চলমান প্রচেষ্টারই অংশ, যার মাধ্যমে দেশজুড়ে মসজিদ পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় একটি সুসংহত এবং একক মানদণ্ড নিশ্চিত করা হচ্ছে। সব ধরনের নজরদারি ব্যবস্থা কুয়েত সরকারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এবং দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরিচালিত হবে।