এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৪০ লক্ষ শিশু সরাসরি উপকৃত হবে। এর মধ্যে রয়েছে ৮০,০০০ স্কুলছুট শিশু, ৩০ লক্ষের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, ৮ লক্ষ ৫০ হাজার উপানুষ্ঠানিক খাতের শিশু এবং বিশেষ শিক্ষা বিভাগের অধীনে থাকা ১ লক্ষ ৪০ হাজার ভিন্নভাবে সক্ষম শিশু। পাশাপাশি, ১ লক্ষেরও বেশি শিক্ষক, স্কুল ব্যবস্থাপক এবং অভিভাবকগণ পেশাগত উন্নয়ন ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে উপকৃত হবেন। প্রকল্পটি সম্পর্কে বিশ্বব্যাংকের টাস্ক টিম লিডার ইজ্জা ফাররাখ বলেন, “এই প্রকল্পটি পাঞ্জাব সরকারের বৃহত্তর শিক্ষা সংস্কার কার্যক্রমের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যার মূল উদ্দেশ্য একটি আরও কার্যকর, জবাবদিহিমূলক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি করা। এটি শিক্ষা খাতে সুশাসন, ব্যবস্থাপনা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকারের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করবে।
পাকিস্তানে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর বোলোরমা আমগাবাজার এই উদ্যোগকে "শিখন দারিদ্র্য মোকাবিলা এবং পাঞ্জাবজুড়ে মানসম্মত শিক্ষায় সকলের সমান সুযোগ নিশ্চিত করার পথে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ" হিসেবে অভিহিত করেছেন। এই প্রকল্পটি জলবায়ু পরিবর্তন এবং জরুরি পরিস্থিতিতে শিক্ষা খাতের প্রতিক্রিয়ার সক্ষমতাও বৃদ্ধি করবে। এটি বিশ্বব্যাংকের চরম দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং অংশীদারিত্বমূলক সমৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যের সাথেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।
উল্লেখ্য, ১৯৫০ সাল থেকে পাকিস্তান বিশ্বব্যাংকের সদস্য এবং এই দীর্ঘ সময়ে সংস্থাটি দেশটিকে ৪৮.৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি সহায়তা প্রদান করেছে। সম্প্রতি বেলুচিস্তানে শিক্ষার মানোন্নয়নেও বিশ্বব্যাংক ১০০ মিলিয়ন ডলারের একটি প্রকল্প অনুমোদন করেছিল, যা এই অঞ্চলের শিক্ষা খাতে সংস্থাটির ধারাবাহিক প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন।
---