ঝিলামের ডেপুটি কমিশনার মুহাম্মদ মিসাম আব্বাস এবং জেলা পুলিশ অফিসার (ডিপিও) আহমেদ মহিউদ্দিন সংবাদমাধ্যমকে মুহাম্মদ আলী মির্জার আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এমন কার্যকলাপ থেকে কোনো ব্যক্তিকে বিরত রাখতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে MPO অধ্যাদেশের ৩ নম্বর ধারা অনুযায়ী এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে দেওয়া মুহাম্মদ আলী মির্জার কিছু মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়, যা নিয়ে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে একটি ধর্মীয় গোষ্ঠী তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশের কাছে আবেদন করে। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই এই আটকাদেশ জারি করা হয়।
মুহাম্মদ আলী মির্জা ঝিলাম শহরের মেশিন মহল্লার বাসিন্দা এবং ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে তার ধর্মীয় বক্তৃতা প্রচারের জন্য পরিচিত। শুধুমাত্র ইউটিউবেই তার ৩২ লাখের বেশি অনুসারী রয়েছে। এটিই প্রথমবার নয় যে মুহাম্মদ আলী মির্জা কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছেন। এর আগেও তার বিরুদ্ধে উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছিল। গত বছর মহররমের সময় সম্ভাব্য সাম্প্রদায়িক সহিংসতা এড়াতে ঝিলাম জেলা প্রশাসন যে ১৭ জন আলেমের বক্তৃতা নিষিদ্ধ করেছিল, তাদের মধ্যে তিনিও একজন ছিলেন। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের মার্চ মাসে একটি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মুহাম্মদ আলী মির্জার ওপর একবার প্রাণঘাতী হামলাও হয়েছিল, যেখান থেকে তিনি সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে যান। সেই ঘটনায় সন্দেহভাজন হামলাকারীকে আটক করে তার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
---