শনিবার, জুলাই ১৮, ২০২৬
৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংসদীয় কমিটি থেকে পিটিআইয়ের পদত্যাগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৭ আগস্ট, ২০২৫, ১০:২১ এএম

সংসদীয় কমিটি থেকে পিটিআইয়ের পদত্যাগ
ফাইল ছবি

পাকিস্তানের রাজনীতিতে অস্থিরতা আরও বাড়িয়ে দলীয় চেয়ারম্যান ইমরান খানের নির্দেশে জাতীয় পরিষদের সব স্থায়ী কমিটি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। দলটির সদস্যদের অযোগ্য ঘোষণার প্রতিবাদে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। আজ (বুধবার) পিটিআই নেতা সানাউল্লাহ খান মাস্তিকেল এক ভিডিও বার্তায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, "পার্টি চেয়ারম্যান ইমরান খানের নির্দেশে পিটিআই সদস্যরা জাতীয় পরিষদের পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি (পিএসি) সহ সব স্থায়ী কমিটির সদস্যপদ ও চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করছেন।

 

এই ঘোষণার পরপরই পিটিআই নেতা ও পিএসি'র চেয়ারম্যান জুনাইদ আকবর আজকের বৈঠকে অনুপস্থিত থাকেন এবং বৈঠকটি অন্য একজন সদস্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ ভোররাত সাড়ে তিনটা পর্যন্ত চলা পিটিআই-এর রাজনৈতিক কমিটির এক দীর্ঘ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যদিও পদত্যাগপত্রগুলো লেখা হয়েছে, তবে সেগুলো এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া হয়নি। পিটিআইয়ের এই পদক্ষেপের পেছনে মূল কারণ হলো, ২০২৩ সালের ৯ মে ইমরান খানকে গ্রেপ্তারের পর দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সহিংসতার ঘটনায় দলটির বহু নেতা ও সংসদ সদস্যকে পাকিস্তান নির্বাচন কমিশনের (ইসিপি) অযোগ্য ঘোষণা করা। পিটিআই এই পদক্ষেপকে "অন্যায়" হিসেবে আখ্যায়িত করে আসছে।

 

দলটি জানিয়েছে, যেসব আসনে তাদের সদস্যদের অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে, সেখানকার উপ-নির্বাচন তারা বয়কট করবে। কারণ, পিটিআই অযোগ্য ঘোষিত সদস্যদেরই "প্রকৃত জনপ্রতিনিধি" হিসেবে মনে করে। তবে এর একটি ব্যতিক্রমও রয়েছে। সম্প্রতি মৃত্যুবরণকারী নেতা মিয়া আজহারের লাহোরের আসনে (এনএ-১২৯) পিটিআই প্রার্থী দেবে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেহেতু এই আসনটি স্বাভাবিক মৃত্যুজনিত কারণে শূন্য হয়েছে, কোনো অযোগ্যতার কারণে নয়, তাই এখানে নির্বাচনে অংশ নেওয়া হবে।

 

এর পাশাপাশি, পিটিআইয়ের রাজনৈতিক কমিটি আদিয়ালা কারাগারে ইমরান খানের তোশাখানা মামলার প্রতিদিনের শুনানি নিয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, এভাবে শুনানি চালিয়ে যাওয়া ন্যায়বিচার পাওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করছে এবং অভিযুক্তের মৌলিক অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করছে।

 

---

দাওয়ান