লাহোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কোম্পানির (এলডব্লিউএমসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বাবীর সাহেব দিন জানিয়েছেন, প্রথম পর্যায়ে লাহোরের গুলবার্গ, জোহর টাউন, গার্ডেন টাউন, মডেল টাউন এবং ক্যানাল রোড সংলগ্ন অভিজাত এলাকাগুলোতে এই বিল পাঠানো হবে। পর্যায়ক্রমে মুলতান, ফয়সালাবাদ এবং সারগোধাসহ অন্যান্য বড় শহরের নির্দিষ্ট এলাকাকেও এর আওতায় আনা হবে। কয়েক মাস আগে 'সুথরা পাঞ্জাব' (পরিচ্ছন্ন পাঞ্জাব) কর্মসূচি চালুর পর প্রাদেশিক মন্ত্রিসভা এই পরিচ্ছন্নতা ফি চালুর প্রস্তাব অনুমোদন করে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, পাঁচ মারলার বাড়ির জন্য মাসিক ৩০০ রুপি, দশ মারলা পর্যন্ত বাড়ির জন্য ৫০০ রুপি এবং এক কানাল বা তার চেয়ে বড় বাড়ির জন্য ১,০০০ রুপি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। ব্যবসার ধরন ও আকার অনুযায়ী বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ৫০০ থেকে ৩,০০০ রুপি পর্যন্ত বিল ধার্য করা হয়েছে। গ্রামীণ এলাকার বাড়ির জন্য ২০০ রুপি ফি প্রস্তাব করা হয়েছে। কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, যদি কোনো নাগরিক টানা দুই মাস বিল পরিশোধে ব্যর্থ হন, তবে তার বর্জ্য সংগ্রহ পরিষেবা স্থগিত করা হবে। এর পরেও যদি কেউ অবৈধভাবে আবর্জনা ফেলেন, তবে তাকে বড় অঙ্কের জরিমানার পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে এফআইআর বা মামলাও দায়ের করা হতে পারে। বর্জ্যমুক্ত ঘোষিত এলাকাগুলোতে পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শকরা নিয়মিত টহল দেবেন এবং নিয়ম লঙ্ঘনকারীকে তাৎক্ষণিক জরিমানা করবেন।
তবে যেসব বেসরকারি হাউজিং সোসাইটির নিজস্ব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা রয়েছে, তাদের এই বিলের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।এলডব্লিউএমসি'র প্রধান নির্বাহী বলেন, "এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য কেবল বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আর্থিকভাবে টেকসই করা নয়, বরং পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে মালিকানাবোধ তৈরি করা।
---