সরকারি তদন্তের সমালোচনা করার কয়েক সপ্তাহ পরই তিনি এই আবেদন করেন। আদালত আগামী ১০ নভেম্বর এই আবেদনের শুনানি গ্রহণ করবেন। শ্রী সাবারওয়াল অভিযোগ করেন যে, ভারতের এয়ারক্রাফট অ্যাকসিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোর (এএআইবি) দুজন কর্মকর্তা তার সাথে দেখা করে এমনটা বোঝাতে চেয়েছেন যে, উড্ডয়নের পরপরই তার ছেলে সুমিত ইঞ্জিনের জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছিলেন।
তবে সরকার এই ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে তদন্তটিকে "খুবই স্বচ্ছ" এবং "খুবই পুঙ্খানুপুঙ্খ" বলে অভিহিত করেছে। চলতি বছরের শুরুতে একজন অবসরপ্রাপ্ত সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির নেতৃত্বে প্রকাশিত একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল যে, উড্ডয়নের ঠিক পরপরই বিমানটির ইঞ্জিনের জ্বালানি সুইচগুলো প্রায় একই সাথে 'রান' (চলমান) অবস্থা থেকে 'কাট-অফ' (বন্ধ) অবস্থায় চলে গিয়েছিল। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর থেকেই এর প্রকৃত কারণ নিয়ে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল।
এদিকে, এই দুর্ঘটনার পর গত সপ্তাহে এয়ার ইন্ডিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ক্যাম্পবেল উইলসন প্রথমবার জনসমক্ষে মন্তব্য করেন। তিনি অভ্যন্তরীণ অনুশীলন ও ব্যবস্থাপনার উন্নতির অঙ্গীকার করেছেন এবং স্বীকার করেছেন যে এই দুর্ঘটনার ফলে বিমান সংস্থাটির জন্য চলতি বছরটি "চ্যালেঞ্জিং" বা প্রতিকূল হবে।
টাটা গ্রুপের মালিকানাধীন এই বিমান সংস্থাটি দুর্ঘটনার পর থেকেই তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। জরুরি সরঞ্জাম পরীক্ষা না করেই বিমান পরিচালনা, সময়মতো ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশ পরিবর্তন না করা, নথি জালিয়াতি এবং বিমান চালক ও কর্মীদের ক্লান্তি ব্যবস্থাপনায় ত্রুটিসহ বিভিন্ন অবহেলার অভিযোগ উঠেছে সংস্থাটির বিরুদ্ধে। মি. উইলসন বলেন, "আমরা কীভাবে ক্রমাগত উন্নতি করা যায়, তা সর্বদা খতিয়ে দেখছি।" তিনি আরও যোগ করেন, "আমরা তদন্তকারীদের সাথেও কাজ করছি।"