আগামী ৯ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত এই সপ্তাহব্যাপী বিশেষ অভিযান চলবে। এই কর্মসূচিকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী 'প্রচণ্ড' সম্প্রতি নেপালের প্রধান নির্বাচন কমিশনার দিনেশ কুমার থাপালিয়া এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
প্রধানমন্ত্রী বিশেষ করে সেই সকল তরুণ-তরুণীদের নিবন্ধনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন, যারা সম্প্রতি ভোটাধিকার অর্জনের বয়স সম্পন্ন করেছেন কিন্তু এখনও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হননি। একইসঙ্গে, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক যে সকল নেপালি নাগরিক প্রবাস থেকে দেশে ফিরেছেন, তাদেরও এই সুযোগ গ্রহণ করে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষার জন্য তিনি অনুরোধ জানান।
নেপালের নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই বিশেষ অভিযানের প্রধান লক্ষ্য একটি নির্ভুল এবং হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা। এই সময়ের মধ্যে নতুন ভোটারদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি তালিকা থেকে মৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হবে এবং বিদ্যমান ভোটারদের তথ্যে (যেমন নাম, ঠিকানা বা বয়স) কোনো প্রকার ভুল থাকলে তা সংশোধন করার সুযোগ থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী দাহাল শুধু সাধারণ নাগরিকদেরই নয়, বরং সকল রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদেরকেও এই নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পর্কে নিজ নিজ অবস্থান থেকে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, একটি স্বচ্ছ ও ত্রুটিমুক্ত ভোটার তালিকা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পূর্বশর্ত। প্রত্যেক যোগ্য নাগরিক যেন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা একটি সম্মিলিত দায়িত্ব।
কমিশন আশা করছে, প্রধানমন্ত্রীর এই আহ্বানের ফলে চূড়ান্ত সপ্তাহের এই অভিযানে জনগণের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে, যা নেপালের আসন্ন উপনির্বাচনসহ ভবিষ্যতের সকল নির্বাচনকে আরও অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিনিধিত্বশীল করে তুলবে।