এই বিপর্যয় শুধু গিলগিট-বালতিস্তানেই সীমাবদ্ধ নেই। খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সোয়াত জেলার মাদিয়ানে ভারী বর্ষণে একটি বাড়ির ছাদ ধসে তিন শিশু ভাই-বোনের হৃদয়বিদারক মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় তাদের মা গুরুতর আহত হয়েছেন। এদিকে, পাকিস্তানের আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (পিডিএমএ) জানিয়েছে, আগামী ২৫ জুলাই পর্যন্ত পাঞ্জাব প্রদেশজুড়ে মৌসুমী বৃষ্টির চতুর্থ এবং আরও শক্তিশালী ঢেউ আঘাত হানতে পারে। এর ফলে রাভি, শতদ্রু, চেনাব এবং সিন্ধুসহ প্রধান নদীগুলোতে বন্যার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৫ জুন থেকে শুরু হওয়া বর্ষা মৌসুমে শুধুমাত্র পাঞ্জাবেই ১২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৪৬২ জন আহত হয়েছেন। সারাদেশে উদ্ধার অভিযান এবং ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। তবে প্রতিকূল আবহাওয়া এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় উদ্ধারকাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সরকার আটকে পড়া পর্যটকদের উদ্ধারে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় সকল সম্পদ ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছে।
---