শনিবার, অক্টোবর ৩, ২০২৬
১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

'স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ওপর অবিচল আস্থা রাখুন, সব সমস্যার দ্রুত সমাধান হবে' : রাশেদ খাঁন

আর এন এস ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৩ অক্টোবর, ২০২৬, ০৫:০৭ পিএম

'স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ওপর অবিচল আস্থা রাখুন, সব সমস্যার দ্রুত সমাধান হবে' : রাশেদ খাঁন
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান এবং তৎপরবর্তী রাষ্ট্রীয় সংস্কারের ধারাবাহিকতায় দেশব্যাপী নানামুখী উন্নয়ন ও পুনর্গঠনের কাজ চলমান রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় জেলা কক্সবাজারের পেকুয়ায় স্থানীয় জনসাধারণের বিভিন্ন পুঞ্জীভূত সমস্যা এবং অভাব-অভিযোগের বিষয়ে গভীর আশ্বাস প্রদান করেছেন বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।

 

তিনি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের উদ্দেশে অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়েছেন যে, দেশের বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যেহেতু এই অঞ্চলেরই সন্তান এবং তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করছেন, তাই তার ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রাখলে অচিরেই এলাকার সব ধরনের সমস্যার একটি কার্যকর ও স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত হবে।

 

শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের এক মনোরম ও ভাবগম্ভীর দুপুরে কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের মেহেরনামা মোলার পাড়া এলাকায় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

 

সেখানে সাম্প্রতিক সময়ের বহুল আলোচিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলনে সম্মুখসারিতে থেকে আত্মোৎসর্গকারী অকুতোভয় ছাত্রদল নেতা শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করার উদ্দেশ্যে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।

 

কবর জিয়ারত এবং বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত শেষে উপস্থিত স্থানীয় নেতাকর্মী, গণমাধ্যমকর্মী এবং সাধারণ মানুষের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, শহীদ পরিবারের অধিকার এবং স্থানীয় উন্নয়নের রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত ও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।

 

এদিন কবর জিয়ারতের আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাশেদ খাঁন শহীদ ওয়াসিম আকরামের শোকার্ত পিতা শফিউল আলমের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় মিলিত হন। এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং রাষ্ট্রীয় পক্ষ থেকে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

 

জুলাইয়ের সেই রক্তক্ষয়ী দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করে তিনি অত্যন্ত আবেগপূর্ণ কণ্ঠে প্রতিশ্রুতি দেন যে, দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এই সংগ্রামে যারা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, রাষ্ট্র কখনোই তাদের এই সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের কথা বিস্মৃত হবে না।

 

তিনি শহীদ পরিবারের সদস্যদের শতভাগ ন্যায়বিচার প্রাপ্তির বিষয়টি সম্পূর্ণ নিশ্চিত করার দৃঢ় আশ্বাস প্রদান করেন। গণমাধ্যমকর্মী ও উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বক্তব্য প্রদানকালে প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক সহকারী অত্যন্ত জোরালো ভাষায় বলেন, জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলনে যেসব অকুতোভয় বীর সন্তান শহীদ হয়েছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং বর্তমান সরকার সর্বদা তাদের পরিবারের পাশে একনিষ্ঠভাবে ছায়ার মতো দাঁড়িয়ে থাকবে।

 

তিনি রংপুরের শহীদ আবু সাঈদ এবং পেকুয়ার শহীদ ওয়াসিম আকরামসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া প্রতিটি তরুণের কথা সশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করেন। তিনি সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন যে, এই বাংলার মাটিতেই প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শেষে প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার সুনিশ্চিত করা হবে।

 

সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, আপনারা রাষ্ট্রব্যবস্থার ওপর এতটুকু বিশ্বাস ও আস্থা রাখুন, আপনারা প্রতিটি ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ ন্যায়বিচার পাবেন এবং কোনো অপরাধীই আইনের হাত থেকে রেহাই পাবে না।

 

অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনসাধারণের নানাবিধ সমস্যা ও দাবি-দাওয়ার বিষয়টি উঠে আসে। পেকুয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরান জাদিদ মুকুট স্থানীয় পর্যায়ের দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিভিন্ন সমস্যা, অবকাঠামোগত দুর্বলতা এবং রাজনৈতিক প্রতিকূলতার কথা উল্লেখ করে রাশেদ খাঁনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

 

এর জবাবে রাশেদ খাঁন অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, বর্তমান সরকার দেশের প্রতিটি প্রান্তের সুষম উন্নয়নে বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে পেকুয়া অঞ্চলের বিষয়ে তিনি বলেন, আপনাদের এখানে বর্তমান সরকারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ রয়েছেন।

 

আপনারা তার নেতৃত্বের ওপর অবিচল বিশ্বাস রাখেন, সব রাজনৈতিক ও কাঠামোগত সমস্যার সমাধান তিনিই নিজ হাতে অত্যন্ত সুচারুভাবে করবেন। শহীদ ওয়াসিমের স্মৃতি সংরক্ষণের বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন রাশেদ খাঁন।

 

তিনি উল্লেখ করেন যে, শহীদ ওয়াসিম আকরামের আত্মত্যাগ এখন কেবল পেকুয়ার নয়, বরং সমগ্র জাতির জন্য একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। জাতীয় পর্যায়ের বহু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব, রাজনৈতিক নেতা এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা প্রায়শই এই বীর শহীদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পেকুয়ায় আগমন করেন।

 

তাই শহীদ ওয়াসিমের কবরে প্রবেশের প্রধান সড়কটির অবস্থা যেন আরও উন্নত ও টেকসই হয়, সে বিষয়ে সরকার অত্যন্ত সচেতন। তিনি উপস্থিত সবাইকে আশ্বস্ত করেন যে, এই সড়কটির আধুনিকায়ন ও টেকসই উন্নয়নের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ খুব শিগগিরই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ ব্যক্তিগতভাবে গ্রহণ করবেন, যাতে দূরদূরান্ত থেকে আগত দর্শনার্থীদের কোনো ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে না হয়।

 

বক্তব্যের এক পর্যায়ে রাশেদ খাঁন জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে দেশব্যাপী চলা বিভিন্ন সমালোচনা ও বিতর্কের অত্যন্ত তীক্ষ্ণ ও যুক্তিপূর্ণ জবাব দেন।

 

যারা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিএনপির প্রত্যক্ষ অবদান এবং আত্মত্যাগ নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেন, তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, গত ১৬ জুলাই রাজপথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলির সামনে দাঁড়িয়ে বক্ষ পেতে দেওয়া ছাত্রদল নেতা শহীদ ওয়াসিম আকরামের পবিত্র রক্তই সেই সকল সমালোচকদের জন্য সবচেয়ে বড় ও অকাট্য জবাব।

 

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, এই আন্দোলন কেবল সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাধ্যমেই শুরু হলেও, এর পেছনে রাজনৈতিক দলগুলোর অসামান্য ত্যাগ ও কৌশলগত সমর্থন ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল।

 

আন্দোলনের কৌশলগত রূপান্তরের বিষয়ে এক ঐতিহাসিক তথ্য প্রকাশ করেন রাশেদ খাঁন। তিনি জানান, ২০২৪ সালের এই যুগান্তকারী আন্দোলনকে কেবল সরকারি চাকরির কোটা সংস্কারের একটি নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে, এটিকে একটি বৃহত্তর ও সর্বাত্মক রাষ্ট্র সংস্কারের আন্দোলনে রূপ দেওয়ার ঐতিহাসিক প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিল বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব।

 

এই বিষয়ে দলের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের মধ্যে অত্যন্ত গভীর ও সুদূরপ্রসারী আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মূলত সেই উচ্চপর্যায়ের নীতিগত সিদ্ধান্তের আলোকেই পরবর্তীতে গোটা আন্দোলনের রূপরেখা পরিবর্তিত হয়ে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে এক ভয়াবহ গণ-আন্দোলনে পরিণত হয়।

 

রাশেদ খাঁনের ভাষ্যমতে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সরাসরি ও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনায় সালাহউদ্দিন আহমেদ সেই সংকটময় মুহূর্তে আন্দোলনের মূল সমন্বয়কের অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও জটিল কাজটি শুরু করেছিলেন।

 

একদিকে যখন দেশের আপামর ছাত্রসমাজ ও সাধারণ জনতা অসীম সাহসিকতার সঙ্গে রাজপথে নেমে এসে গণ-আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন, ঠিক তখনই নেপথ্যে থেকে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও কৌশলগত সহযোগিতা নিশ্চিত করেছিল বিএনপি।

 

বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সেই দুঃসময়ের সাহসী ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, তার মতো একজন প্রজ্ঞাবান রাজনীতিবিদের নিখুঁত সমন্বয় ও রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা ছাড়া মাত্র ছত্রিশ দিনের এই সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে এত বড় মাপের একটি জুলাই গণ-অভ্যুত্থান আদৌ সফলভাবে সম্পন্ন হতো কি না, তা নিয়ে সচেতন রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

 

পেকুয়ায় এই ভাবগম্ভীর ও রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ অনুষ্ঠানের আগে, শনিবার সকালে রাশেদ খাঁন পার্শ্ববর্তী চকরিয়া উপজেলায়ও একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক সফর সম্পন্ন করেন। সেখানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং দলটির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে এক বিশেষ সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে মিলিত হন।

 

সেখানেও তিনি ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক আদর্শ এবং পরিবর্তিত রাষ্ট্রীয় পরিস্থিতিতে দলের নেতাকর্মীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। দুপুরে পেকুয়ার মেহেরনামা মোলার পাড়ায় অনুষ্ঠিত এই কবর জিয়ারত এবং বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের এক অভূতপূর্ব মিলনমেলা পরিলক্ষিত হয়।

 

একদিকে যেমন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন, অন্যদিকে স্থানীয় প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারাও সেখানে অংশগ্রহণ করেন, যা এই অনুষ্ঠানের রাষ্ট্রীয় গুরুত্বকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

 

অনুষ্ঠানে শহীদ ওয়াসিমের শোকার্ত বাবা শফিউল আলম ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পেকুয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনিসুল ইসলাম, পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, উপজেলা যুবদলের সুযোগ্য আহ্বায়ক কামরান জাদিদ মুকুট, গণঅধিকার পরিষদের কক্সবাজার জেলা শাখার সম্মানিত সভাপতি প্রাইম কাদের, উপজেলা ছাত্রদলের নিবেদিতপ্রাণ আহ্বায়ক নাঈমুর রহমান হৃদয়, সদস্যসচিব আবুল কাশেম নুরী, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানিত সদস্য শাহেদুল ইসলাম এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সাহসী যোদ্ধা হিরণ সরওয়ার।

 

এছাড়াও স্থানীয় বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী এবং সাধারণ গ্রামবাসী এই দোয়া মাহফিলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

 

সর্বোপরি, রাশেদ খাঁনের এই সফর এবং তার বক্তব্য স্থানীয় জনমনে এক নতুন আশার সঞ্চার করেছে। একদিকে যেমন শহীদ পরিবারগুলো রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির পাশাপাশি ন্যায়বিচারের আশ্বাস পেয়েছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষ স্থানীয় উন্নয়ন ও সমস্যা সমাধানে শীর্ষ নেতৃত্বের সরাসরি হস্তক্ষেপে দারুণভাবে আশাবাদী হয়ে উঠেছে।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ওপর আস্থা রাখার যে আহ্বান রাশেদ খাঁন জানিয়েছেন, তা এই অঞ্চলের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক ও যুগান্তকারী প্রভাব ফেলবে বলে স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সুধীজনরা গভীরভাবে বিশ্বাস করেন।

 

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মহান আত্মত্যাগের চেতনাকে ধারণ করে আগামীর বাংলাদেশ যে একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে, পেকুয়ার এই সমাবেশ থেকে যেন সেই দৃঢ় প্রত্যয়ই আবারও প্রবলভাবে উচ্চারিত হলো।