মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশসহ ১৯ দেশের বিশেষ ওষুধে শতভাগ শুল্ক ছাড়ের ঐতিহাসিক ঘোষণা

আর এন এস আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৫:১১ পিএম

বাংলাদেশসহ ১৯ দেশের বিশেষ ওষুধে শতভাগ শুল্ক ছাড়ের ঐতিহাসিক ঘোষণা
ছবি : Collected

বিশ্ব বাণিজ্যের প্রেক্ষাপটে এবং আন্তর্জাতিক ওষুধ শিল্পের সরবরাহ শৃঙ্খলে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করে যুক্তরাষ্ট্র সরকার এক ঐতিহাসিক এবং অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

 

আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশসহ নির্বাচিত ১৯টি দেশের উৎপাদিত বিশেষায়িত ওষুধ এবং এসব ওষুধ তৈরির অত্যাবশ্যকীয় কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অর্থাৎ ১০০ শতাংশ শুল্ক মওকুফ বা ছাড় দেওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র।

 

এই অভাবনীয় এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নীতিটি কেবল আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গতিপ্রকৃতিকেই নতুন করে সংজ্ঞায়িত করবে না, বরং উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক সম্ভাবনার নতুন দিগন্তও উন্মোচন করবে।

 

প্রখ্যাত ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড’-এর একটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য এবং বিস্তারিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে এই বিশেষ শুল্ক সুবিধা পাওয়া ১৯টি দেশের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তাদের সরকারি গেজেট বা ‘ফেডারেল রেজিস্টার’-এ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে।

 

নতুন এই কঠোর অথচ সুনির্দিষ্ট বাণিজ্য নীতিটি আজ মঙ্গলবার থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পুরোপুরি কার্যকর হতে যাচ্ছে। এই নীতির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য এবং কঠোর দিকটি হলো, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত এই ১৯টি সৌভাগ্যবান দেশের বাইরে বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশ যদি উল্লিখিত বিশেষায়িত ওষুধ বা এসব ওষুধ তৈরির কাঁচামাল যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানি করতে চায়, তবে তাদেরকে উৎপাদিত পণ্যের মূল্যের অনুপাতে পুরো ১০০ শতাংশ শুল্ক প্রদান করতে হবে।

 

এটি মূলত বৈশ্বিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যন্ত সুকৌশলী এবং সুরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবেই আন্তর্জাতিক অর্থনীতিবিদদের কাছে বিবেচিত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের এই আকস্মিক অথচ সুদূরপ্রসারী সিদ্ধান্তের পেছনের মূল প্রেক্ষাপট এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এর শিকড় লুকিয়ে আছে চলতি বছরের গত ২ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জারি করা একটি বিশেষ নির্বাহী আদেশের মধ্যে।

 

সেই সময়ে বৈশ্বিক মহামারি এবং আনুষঙ্গিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বিশ্বজুড়ে সরবরাহ শৃঙ্খল যখন মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছিল, তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন খাতকে সুরক্ষিত এবং স্বনির্ভর করার লক্ষ্যে একটি অত্যন্ত কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

 

তাঁর সেই ঐতিহাসিক আদেশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল যে, এখন থেকে যেকোনো দেশ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পেটেন্টকৃত অত্যাধুনিক ফার্মাসিউটিক্যালস, জটিল জৈবিক ওষুধ বা বায়োলোজিকস এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট অত্যন্ত সংবেদনশীল উপাদানগুলো আমদানি করতে চাইলে তাদেরকে পণ্যের মোট মূল্যের অনুপাতে ১০০ শতাংশ শুল্ক সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।

 

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই আদেশ জারির মূল এবং প্রধান লক্ষ্য ছিল অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট-বৈশ্বিক নির্ভরতা কমিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতেই দেশি ও বিদেশি ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশাল পরিসরে কারখানা স্থাপনে এবং স্থানীয়ভাবে বিপুল পরিমাণ ওষুধ উৎপাদনে ব্যাপকভাবে উৎসাহিত করা।

 

তিনি চেয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জীবনরক্ষাকারী ওষুধের জন্য যেন অন্য কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে না হয়। তবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বাস্তব পরিস্থিতি, মিত্র দেশগুলোর সাথে কৌশলগত সম্পর্ক এবং কিছু অত্যন্ত জটিল ও জীবনরক্ষাকারী ওষুধের তাৎক্ষণিক ও নিরবচ্ছিন্ন চাহিদার কথা বিবেচনা করে মার্কিন প্রশাসন শেষ পর্যন্ত তাদের পরম মিত্র এবং অত্যন্ত বিশ্বস্ত বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে বিবেচিত ১৯টি দেশকে এই বিশাল শুল্ক আরোপের আওতামুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

 

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশের এই বিরল সুবিধাটি সাধারণ কোনো ওষুধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না; বরং এটি বিজ্ঞানের উৎকর্ষের চরম শিখরে থাকা অত্যন্ত জটিল, ব্যয়বহুল এবং বিশেষায়িত চিকিৎসা সামগ্রীর ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর হবে।

 

মার্কিন বাণিজ্য প্রশাসনের প্রকাশিত দাপ্তরিক নির্দেশিকা অনুযায়ী, শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতাভুক্ত পণ্যগুলোর তালিকায় রয়েছে চিকিৎসা বিজ্ঞানের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং ক্ষেত্রগুলোতে ব্যবহৃত ওষুধসমূহ। এর মধ্যে অন্যতম হলো বিশ্বের বিরল বা দুর্লভ রোগগুলোর চিকিৎসায় ব্যবহৃত সকল প্রকার জীবনরক্ষাকারী অত্যাধুনিক ওষুধ।

 

এছাড়াও মানবজীবনের অত্যন্ত স্পর্শকাতর সমস্যা বন্ধ্যত্বের আধুনিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত অত্যন্ত ব্যয়বহুল হরমোন ও ওষুধসামগ্রী, আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিস্ময় সেল থেরাপি বা কোষ নির্ভর চিকিৎসা সামগ্রী, মানবদেহের জিনগত ত্রুটি সংশোধনের যুগান্তকারী আবিষ্কার জিন থেরাপি এবং ক্যানসার বা টিউমার চিকিৎসায় ব্যবহৃত অত্যন্ত নিখুঁত ও লক্ষ্যভেদী অ্যান্টিবডি ড্রাগ কনজুগেটস এই শুল্কমুক্ত সুবিধার অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

 

মানুষের পাশাপাশি প্রাণিসম্পদ সুরক্ষায় ব্যবহৃত বিশেষায়িত এবং উচ্চমানের প্রাণীদের ওষুধও এই সুবিধার আওতায় রাখা হয়েছে। সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কেবল চূড়ান্তভাবে প্রস্তুতকৃত ওষুধই নয়, বরং এসব অত্যাধুনিক চিকিৎসাসামগ্রী প্রস্তুত করার জন্য প্রয়োজনীয় মূল রাসায়নিক উপাদান, অত্যাবশ্যকীয় কাঁচামাল এবং আনুষঙ্গিক উপকরণগুলোও এই ১৯টি দেশের রপ্তানিকারকরা সম্পূর্ণ বিনা শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল বাজারে প্রবেশ করাতে পারবেন।

 

এই অভাবনীয় শুল্ক সুবিধা প্রাপ্ত ১৯টি দেশের তালিকাটি কেবল বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকেই নয়, বরং বর্তমান বিশ্বের জটিল ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ এবং যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক কূটনীতির এক নিখুঁত প্রতিফলন।

 

এই তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ার উদীয়মান অর্থনৈতিক পরাশক্তি বাংলাদেশের পাশাপাশি স্থান পেয়েছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত। এছাড়াও লাতিন আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ দেশ আর্জেন্টিনা ও ইকুয়েডর, মধ্য আমেরিকার এল সালভাদর ও গুয়াতেমালা এই বিশেষ সুবিধা ভোগ করবে।

 

এশিয়ার অন্যান্য প্রভাবশালী ও উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, তাইওয়ান এবং ভিয়েতনাম এই সম্মানজনক তালিকায় নিজেদের স্থান সুসংহত করেছে।

 

এর বাইরে ইউরোপ এবং পাশ্চাত্যের ঐতিহ্যবাহী মার্কিন মিত্র হিসেবে পরিচিত সম্পূর্ণ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত সকল রাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সুইজারল্যান্ড, লিশটেনস্টাইন, উত্তর মেসিডোনিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত মিত্র জর্ডানও এই অত্যন্ত লাভজনক বাণিজ্যিক সুবিধা লাভ করেছে।

 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তাদের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই নির্দিষ্ট ১৯টি দেশকে বেছে নেওয়ার পেছনের যৌক্তিকতা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই দেশগুলোকে বিশাল শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদানের একমাত্র কারণ হলো যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তাদের বিদ্যমান গভীর বাণিজ্যিক সুসম্পর্ক এবং অত্যন্ত শক্তিশালী জাতীয় নিরাপত্তা চুক্তি।

 

যেসব দেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান কৌশলগত অংশীদারিত্ব অত্যন্ত দৃঢ় অথবা অদূর ভবিষ্যতে যাদের সাথে এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের বাণিজ্যিক ও নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে, কেবল তাদেরকেই মার্কিন প্রশাসন এই বিশেষ সুবিধার আওতাভুক্ত করেছে।

 

বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতি এবং অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ফার্মাসিউটিক্যালস বা ওষুধ শিল্পের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের এই যুগান্তকারী ঘোষণা এক অভূতপূর্ব এবং ঐতিহাসিক আশীর্বাদ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

 

বিগত কয়েক দশকে বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী, নির্ভরযোগ্য এবং গুণগত মানসম্পন্ন রপ্তানিমুখী খাত হিসেবে নিজেদের সুপ্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে।

 

বর্তমানে বিশ্বের শতাধিক দেশে বাংলাদেশের তৈরি জীবনরক্ষাকারী ওষুধ অত্যন্ত সুনামের সাথে রপ্তানি হচ্ছে। কিন্তু এত দিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো অত্যন্ত সুরক্ষিত, কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত এবং মানসম্পন্ন বাজারে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করা বাংলাদেশের ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ ছিল।

 

যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থার অনুমোদন লাভের পাশাপাশি উচ্চ শুল্কহারের কারণে মার্কিন বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা ছিল অত্যন্ত কঠিন। কিন্তু বর্তমানে বিশেষায়িত ওষুধের ক্ষেত্রে এই ১০০ শতাংশ শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল বাজারে প্রবেশের এক মসৃণ এবং বাধাহীন রাজপথ তৈরি করে দিয়েছে।

 

এর ফলে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো এখন জিন থেরাপি, সেল থেরাপি বা অ্যান্টিবডি ড্রাগ কনজুগেটসের মতো উচ্চমূল্যের এবং অত্যাধুনিক চিকিৎসাসামগ্রী নিয়ে বিস্তর গবেষণা ও উৎপাদনের দিকে মনোনিবেশ করার এক বিশাল অনুপ্রেরণা পাবে।

 

এই সুবিধা কাজে লাগিয়ে দেশীয় কোম্পানিগুলো যেমন তাদের রপ্তানি আয় বহুগুণে বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবে, তেমনি দেশের স্বাস্থ্য খাতে বিশাল অঙ্কের বৈদেশিক বিনিয়োগ আসারও এক নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।

 

পরিশেষে বলা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের এই সুকৌশলী বাণিজ্যিক নীতি বৈশ্বিক ওষুধ শিল্পের প্রচলিত মানচিত্রকে সম্পূর্ণভাবে ঢেলে সাজানোর একটি সুস্পষ্ট ইঙ্গিত প্রদান করছে। তালিকায় থাকা ১৯টি দেশ বাদে বাকি বিশ্বের জন্য এই নীতি এক বিশাল অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতা এবং অশনিসংকেত।

 

কারণ, অন্যান্য দেশের ওষুধ প্রস্তুতকারকদের এখন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে নিজেদের পণ্য বিক্রি করতে হলে দ্বিগুণ মূল্য পরিশোধ করতে হবে, যা তাদের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় মারাত্মকভাবে পিছিয়ে দেবে। তবে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল এবং উদীয়মান অর্থনীতির জন্য এটি এক অভাবনীয় প্রাপ্তি।

 

এখন বাংলাদেশ সরকার, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং ওষুধ শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল উদ্যোক্তাদের সম্মিলিত এবং সুপরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণ করার এখনই উপযুক্ত সময়। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এই বিশেষায়িত এবং উচ্চ প্রযুক্তির ওষুধ রপ্তানি করার জন্য প্রয়োজনীয় উন্নতমানের কারিগরি সক্ষমতা অর্জন, গবেষণায় পর্যাপ্ত বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড কঠোরভাবে বজায় রাখার মাধ্যমে বাংলাদেশ খুব সহজেই বৈশ্বিক ওষুধ রপ্তানির বাজারে এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী পরাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে।

 

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং বাণিজ্যের এই চমৎকার সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে পারলে তা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নের যাত্রাকে আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে সন্দেহ নেই।

 

- বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড