ইরান পরমাণু ইস্যুতে যেকোনো ধরনের শক্তি প্রয়োগ, নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা চাপের তীব্র বিরোধিতা করেছে চীন। বেইজিং জোর দিয়ে বলেছে, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উপায়ে শান্তিপূর্ণ সমাধানই এই সংকট থেকে বেরিয়ে আসার একমাত্র পথ।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এক বিবৃতিতে এই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ইরান সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব পাস না হওয়া প্রসঙ্গে এই মন্তব্য করেন তিনি। সম্প্রতি ইরান পরমাণু ইস্যুতে কূটনৈতিক আলোচনার জন্য আরও সময় চেয়ে চীন ও রাশিয়া নিরাপত্তা পরিষদে একটি খসড়া প্রস্তাব উত্থাপন করেছিল, যা গৃহীত হয়নি।
চীনা মুখপাত্র বলেন, তাদের প্রস্তাবের লক্ষ্য ছিল কূটনৈতিক আলোচনার জন্য আরও সুযোগ তৈরি করা। কিন্তু হঠাৎ করে নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের (স্ন্যাপব্যাক) মতো পদক্ষেপ আলোচনার প্রক্রিয়াকে উল্টে দিয়েছে এবং এটি গঠনমূলক নয়।
গুও জিয়াকুন এই সংকটের মূল কারণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে বলেন, ইরানের সঙ্গে সম্পাদিত বহুপাক্ষিক পরমাণু চুক্তি (জেসিপিওএ) থেকে আমেরিকার একতরফাভাবে বেরিয়ে যাওয়াই আজকের পরিস্থিতির জন্য দায়ী।
চীন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় দেশগুলোকে রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রদর্শন এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে, যাতে ইরান পরমাণু ইস্যুটি আবার আলোচনার টেবিলে ফিরে আসে এবং পরিস্থিতির আরও অবনতি না হয়।
মুখপাত্র আরও বলেন, "চীন একটি বস্তুনিষ্ঠ ও ন্যায্য অবস্থান বজায় রাখবে এবং সকল পক্ষের উদ্বেগগুলোকে বিবেচনায় নিয়ে একটি গঠনমূলক সমাধানের জন্য কাজ করে যাবে।"