রবিবার, অক্টোবর ১৮, ২০২৬
৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাশিয়ার অভ্যন্তরে ইউক্রেনের সহস্রাধিক ড্রোন হামলা

আর এন এস আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ০৮:৩৫ পিএম

রাশিয়ার অভ্যন্তরে ইউক্রেনের সহস্রাধিক ড্রোন হামলা
ছবি : Collected

পূর্ব ইউরোপের ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চলমান সংঘাত এক নতুন এবং অত্যন্ত ভয়ংকর মোড় নিয়েছে। দীর্ঘ সাড়ে চার বছরের বেশি সময় ধরে চলা এই রক্তক্ষয়ী ও বিধ্বংসী যুদ্ধে নিজেদের অত্যাধুনিক কৌশলগত সক্ষমতার এক নজিরবিহীন প্রদর্শনী করেছে ইউক্রেন।

 

রাশিয়ার একেবারে অভ্যন্তরে, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে একযোগে এক হাজারেরও বেশি ড্রোনের মাধ্যমে এক বিশাল, সুপরিকল্পিত ও সমন্বিত হামলা চালিয়েছে কিয়েভের সামরিক বাহিনী।

 

আন্তর্জাতিক সামরিক ও যুদ্ধ বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডে ইউক্রেনের চালানো এটি নিঃসন্দেহে অন্যতম বৃহৎ ও বিধ্বংসী ড্রোন হামলা। রোববার গভীর রাতে চালানো এই অভাবনীয় হামলার ফলে রাশিয়ার অন্যতম প্রধান ও ঐতিহাসিক শহর সেন্ট পিটার্সবার্গের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি টার্মিনালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে।

 

এই নজিরবিহীন ঘটনা কেবল রাশিয়ার দুর্ভেদ্য বলে বিবেচিত অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাব্যবস্থাকেই গভীর প্রশ্নের মুখে ফেলেনি, বরং আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতি ও কূটনীতিতেও এক নতুন এবং জটিল উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে।

 

রাশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর এবং অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি সেন্ট পিটার্সবার্গের স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই ড্রোন হামলার ভয়াবহতা ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।

 

সেন্ট পিটার্সবার্গের গভর্নর আলেকজান্ডার বেগলভ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে জানিয়েছেন যে, ইউক্রেনের এই আকস্মিক ও শক্তিশালী ড্রোন হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত একজন সাধারণ নাগরিক নিহত এবং আরও পাঁচজন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন।

 

স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনীয় ড্রোনগুলোর মূল লক্ষ্যবস্তু ছিল রাশিয়ার অত্যন্ত সংবেদনশীল জ্বালানি এবং লজিস্টিক বা সরবরাহ অবকাঠামোগুলো। এই ধারাবাহিক হামলায় পিটার্সবার্গ তেল টার্মিনাল এবং রুচি তেল ডিপোতে সরাসরি আঘাত হানা হয়, যার ফলে ওই এলাকায় এক ভয়াবহ ও বিশাল অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটে এবং আকাশে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী তৈরি হয়।

 

জ্বালানি স্থাপনার পাশাপাশি রাশিয়ার অন্যতম বৃহৎ ই-কমার্স ও খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ‘ওজন’-এর একটি প্রধান সরবরাহ কেন্দ্র এবং স্বনামধন্য প্রযুক্তি সংস্থা ‘ভিকি’-এর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ডেটা সেন্টার বা তথ্যকেন্দ্রও এই ভয়াবহ হামলার শিকার হয়েছে বলে সংস্থা দুটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।

 

তবে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ইউক্রেনের এই বিশাল ও সমন্বিত ড্রোন হামলাকে অত্যন্ত সফলভাবে প্রতিহত করার জোর দাবি জানিয়েছে। রোববার সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানায় যে, তাদের শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর ছোড়া ১ হাজার ১৫টি ড্রোন আকাশে উড্ডয়নরত অবস্থাতেই ধ্বংস করে দিয়েছে।

 

রাশিয়ার অন্তত ১৫টি ভিন্ন ভিন্ন অঞ্চলসহ মস্কোর দখলকৃত ক্রিমিয়া উপদ্বীপ এবং কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৃষ্ণসাগরের বিস্তীর্ণ আকাশসীমায় এই বিপুল সংখ্যক ড্রোন নিখুঁতভাবে ভূপাতিত করা হয়।

 

ক্রেমলিনের শীর্ষ ও প্রভাবশালী মুখপাত্র দিমিত্রি পেশকভ রুশ রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাস-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে কিয়েভের এই আগ্রাসী সামরিক পদক্ষেপের তীব্র ভাষায় নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন যে, মস্কো অত্যন্ত সফলতার সাথে কিয়েভের এই আগ্রাসন ও সন্ত্রাসী তৎপরতা প্রতিরোধ করে চলেছে।

 

পেশকভের মতে, ইউক্রেন যতই মরিয়া হয়ে এ ধরনের হামলা চালাক না কেন, তা কোনোভাবেই চলমান এই সামরিক অভিযানের বর্তমান গতিপথ বা যুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফল পরিবর্তন করতে সক্ষম হবে না।

 

অন্যদিকে, রাশিয়ার একেবারে অভ্যন্তরে ইউক্রেনের এই বিশাল হামলার সমান্তরালে খোদ ইউক্রেনের ভূখণ্ডেও রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর ধারাবাহিক ও প্রাণঘাতী হামলা অব্যাহত রয়েছে। রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় সামরিক কমান্ডের ছোড়া শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের আঘাতে ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়া শহরে ভয়াবহ মাত্রায় ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।

 

স্থানীয় প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জাপোরিঝিয়া শহরে রাশিয়ার চালানো এক জোড়া ভয়াবহ হামলায় এক নারী মর্মান্তিকভাবে নিহত হয়েছেন এবং ৬ বছরের এক নিষ্পাপ শিশুসহ অন্তত আরও দুজন গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

জাপোরিঝিয়ার আঞ্চলিক সামরিক প্রশাসনের প্রধান মাইখাইলো সেমিকিন অত্যন্ত ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে গণমাধ্যমকে জানান যে, রাশিয়ার এই নির্বিচার ও বর্বরোচিত হামলায় সাধারণ মানুষের দুটি বহুতল আবাসিক ভবন, অন্তত ১৮টি ব্যক্তিগত গাড়ি এবং একটি স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা সরাসরি মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।

 

চলমান এই পাল্টাপাল্টি হামলা এবং রক্তপাতের প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক অঙ্গনে, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক বলয়ে এক মিশ্র, ধোঁয়াশাচ্ছন্ন ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

 

রাশিয়ার জ্বালানি ও তেল অবকাঠামোতে কিয়েভের এই ধারাবাহিক ও বিধ্বংসী হামলার অত্যন্ত কঠোর সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যা ইউক্রেন ও ওয়াশিংটনের মাঝে এক নতুন কূটনৈতিক টানাপোড়েনের জন্ম দিয়েছে।

 

উল্লেখ্য, গত ১১ অক্টোবর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, সাড়ে চার বছরের পুরনো এবং ধ্বংসাত্মক এই যুদ্ধে রাশিয়া ও ইউক্রেন একটি ‘জ্বালানি যুদ্ধবিরতি’ চুক্তিতে সম্মত হয়েছে, যদিও এর কোনো বাস্তব ভিত্তি মাঠে দেখা যায়নি।

 

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মহলের দাবি, ট্রাম্পের এই ঘোষণার পরপরই মস্কোর জ্বালানি কেন্দ্রগুলোতে কিয়েভ সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের হামলার মাত্রা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। তিন দিন সাময়িক বিরতি বা বন্ধ রাখার পর গত বৃহস্পতিবার থেকে রাশিয়ার তেল স্থাপনাগুলোর ওপর পুনরায় পুরোদমে হামলা শুরুর তথ্য ইউক্রেন নিজেই নিশ্চিত করেছে।

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট উভয় পক্ষকে জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধ করার জন্য জোরালো আহ্বান জানালেও, তার সেই আহ্বানের বিন্দুমাত্র তোয়াক্কা না করেই রোববার রাশিয়ায় এই সহস্রাধিক ড্রোনের বিশাল হামলা চালিয়েছে কিয়েভ।

 

মার্কিন প্রশাসনের এই আপাত দ্বিমুখী অবস্থান এবং রাশিয়ার ধারাবাহিক আগ্রাসনের বিপরীতে তীব্র ক্ষোভ, হতাশা ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। বিশেষ করে শীতের প্রাক্কালে ইউক্রেনের নিজস্ব জ্বালানি অবকাঠামোতে রাশিয়ার নিরবচ্ছিন্ন ও ধ্বংসাত্মক বিমান হামলার ঘটনায় তিনি পশ্চিমা মিত্রদের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

 

রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ ও আবেগঘন পোস্টে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, ট্রাম্পের তথাকথিত ‘জ্বালানি যুদ্ধবিরতি’ ঘোষণার পর মাত্র এক সপ্তাহের সংক্ষিপ্ত ব্যবধানে রাশিয়া ইউক্রেনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি, তেল ও গ্যাস খাতে অন্তত ৭৬ বার ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে।

 

তিনি অত্যন্ত আক্ষেপের সাথে উল্লেখ করেন যে, শুধুমাত্র গত রাতেই ইউক্রেনের চারটি ভিন্ন ভিন্ন অঞ্চলের প্রধান জ্বালানি স্থাপনায় রাশিয়ার সামরিক বাহিনী ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে, যার ফলে এখনও হাজার হাজার সাধারণ ইউক্রেনীয় পরিবার চরম শীতে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় দিনাতিপাত করছে।

 

রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনে একটি সম্পূর্ণ ‘ব্ল্যাকআউট’ বা দীর্ঘস্থায়ী অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিস্থিতি তৈরির সুপরিকল্পিত চেষ্টা করার গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেছেন তিনি। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি তার এই কড়া বিবৃতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ সকল পশ্চিমা মিত্রদের প্রতি একটি অত্যন্ত সুস্পষ্ট ও সময়োপযোগী কূটনৈতিক বার্তা প্রদান করেছেন।

 

তিনি লিখেছেন, আমেরিকার নীতিনির্ধারকদের অবশ্যই খুব স্পষ্টভাবে দেখা উচিত এবং অনুধাবন করা উচিত যে, পশ্চিমা বিশ্বের কোনো অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ বা ছাড়ের জবাবে রাশিয়া ন্যূনতম কোনো ইতিবাচক বা শান্তির স্বপক্ষে পারস্পরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না।

 

বরং এর সম্পূর্ণ বিপরীত হিসেবে, নিষেধাজ্ঞা শিথিলের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে অর্থ উপার্জনের সুযোগকে মস্কো নিজেদের সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে যাওয়ার একটি নীরব সম্মতি বা পুরস্কার হিসেবে গ্রহণ করেছে। তারা মনে করছে যে, যুদ্ধের ওপর তাদের এই সর্বনাশা বাজি কাজে দিচ্ছে এবং তারা যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারে।

 

জেলেনস্কি বিশ্বনেতাদের অত্যন্ত কঠোর ভাষায় স্মরণ করিয়ে দেন যে, ইউক্রেন কেবল নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় আত্মরক্ষা করছে বলেই এই যুদ্ধ প্রলম্বিত হচ্ছে না; বরং রাশিয়ার অব্যাহত, অযৌক্তিক ও একগুঁয়ে হামলার কারণেই যুদ্ধটি আজও চলছে।

 

পৃথিবীতে সত্যিকার অর্থে শান্তির কোনো সুযোগ তৈরি করতে হলে রাশিয়াকেই সর্বাত্মক অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপের মুখোমুখি হতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এদিকে, রাশিয়ার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার ভবিষ্যৎ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কিছু বিতর্কিত পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক ধোঁয়াশা ও উৎকণ্ঠার জন্ম দিয়েছে।

 

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থের কথা উল্লেখ করে শুক্রবার রাতে ট্রাম্প পূর্বপরিকল্পিত বেশ কিছু বিধিনিষেধ মওকুফ করার এক নির্বাহী আদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করেছেন। এর ঠিক পরদিন শনিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি অত্যন্ত রহস্যময়ভাবে বলেন যে, রাশিয়া সম্পর্কিত পরবর্তী নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তার প্রশাসনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কী হবে, তা সাধারণ মানুষ এখনও জানেন না।

 

ফ্লোরিডায় নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক নৈশভোজে ট্রাম্প অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সাথে বলেন, “আমরা পুরো বিষয়টি খুব গভীরভাবে অনুধাবন করব, আর সময় হলেই আপনারাও জেনে যাবেন। তবে এটি খুব ভালো একটি সিদ্ধান্ত হতে যাচ্ছে এবং এমন সিদ্ধান্ত হবে যা দেশের জন্য ভালো এবং আমি মনে করি বিশ্ববাসীর জন্যও ভালো হবে।”

 

ট্রাম্পের এই রহস্যময় মন্তব্য এবং ইউক্রেনের বিশাল ড্রোন হামলা-উভয় মিলে পূর্ব ইউরোপের এই সংঘাতকে এমন এক অত্যন্ত জটিল, অস্থিতিশীল ও অনিশ্চিত পর্যায়ে নিয়ে গেছে, যার শেষ কোথায় তা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে এখনও সম্পূর্ণ অজানা।

 

- রয়টার্স