গন্তব্যে পৌঁছানোর আশায় যাত্রীরা যখন আকাশে নিজেদের আসনে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন, ঠিক তখনই মাঝ আকাশে ঘটে যায় এক অভাবনীয়, রোমহর্ষক ও মারাত্মক পরিস্থিতি। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি মুহূর্তের মধ্যে উড়োজাহাজে থাকা শত শত যাত্রীর মনে চরম আতঙ্ক, ভয় ও মৃত্যুর শীতল পরশ ধরিয়ে দেয়।
আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল বিধিমালার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখা যাত্রীরা সেদিন কল্পনায়ও ভাবতে পারেননি যে, তাদের জীবন এতটা চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়তে যাচ্ছে। উড়োজাহাজটি যখন মেঘের ওপর দিয়ে তার নির্ধারিত স্বাভাবিক উচ্চতায় অত্যন্ত মসৃণ গতিতে উড়ছিল, ঠিক সেই সময় মাত্র দুই মিনিটের অবিশ্বাস্য কম সময়ের ব্যবধানে এটি ভয়ংকর গতিতে ১৭ হাজার ফুট নিচে নেমে আসে। মধ্যাকর্ষণকে হার মানিয়ে বিমানের এই আকস্মিক, অস্বাভাবিক ও তীব্র পতনের ফলে ভেতরে থাকা সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে প্রবল ভীতির সঞ্চার হয়।
চারদিকে শুরু হয় কান্নাকাটি ও বাঁচার আকুতি। শুরুতে প্রায় সকল যাত্রীই ধারণা করেছিলেন যে, হয়তো কোনো মারাত্মক যান্ত্রিক গোলযোগ বা ইঞ্জিনের কারিগরি ত্রুটির কারণে বিমানের কর্তব্যরত পাইলটরা এর নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে ফেলেছেন।
যাত্রীরা ধরে নিয়েছিলেন যে, তাদের মৃত্যু একেবারেই সুনিশ্চিত এবং নিয়তির কাছে আত্মসমর্পণ করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। কিন্তু এই বাহ্যিক যান্ত্রিক ত্রুটির নেপথ্যে ককপিটের সুরক্ষিত দরজার ওপাশে যে এক ভয়ংকর মানবিক বিপর্যয়, চরম বিশৃঙ্খলা ও রক্তক্ষয়ী সংঘাত লুকিয়ে ছিল, তা তখনো সাধারণ যাত্রীদের ধারণারও অনেক বাইরে ছিল।
পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর বস্তুনিষ্ঠ অনুসন্ধানে এই ঘটনার পেছনের যে মূল সত্যটি বেরিয়ে আসে, তা সমগ্র বিশ্বের এভিয়েশন বা বিমান চলাচল খাতকে রীতিমতো হতবাক করে দিয়েছে।
জানা যায়, বিমানের এই আকস্মিক ও ভয়াবহ পতনের মূল কারণ কোনো যান্ত্রিক বা কারিগরি গোলযোগ ছিল না, বরং ককপিটের ভেতরে ঘটে যাওয়া এক নজিরবিহীন ও অকল্পনীয় সহিংসতাই এর জন্য এককভাবে দায়ী।
সংবাদমাধ্যমের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ফ্লাই দুবাইয়ের ওই ফ্লাইটটিতে কর্তব্যরত প্রধান দুই পাইলটের মধ্যে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় কোনো এক অজ্ঞাত কারণে হঠাৎ করে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়, যা একপর্যায়ে হাতাহাতি ও চরম শারীরিক সংঘাতে রূপ নেয়।
পরিস্থিতি এতটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় যে, একপর্যায়ে একজন পাইলট তার ক্ষোভ সামলাতে না পেরে নিজের সহকর্মীর ওপর একটি ধারালো ছুরি নিয়ে প্রাণঘাতী হামলা চালান। মাঝ আকাশে মাটি থেকে হাজার হাজার ফুট ওপরে, ককপিটের মতো একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল, স্পর্শকাতর ও সুরক্ষিত জায়গায় এমন রক্তক্ষয়ী সংঘাত আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের সুদীর্ঘ ইতিহাসে এক বিরল ও কালো অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ছুরির আঘাতটি এতটাই গভীর, আকস্মিক ও মারাত্মক ছিল যে, আক্রান্ত পাইলটের পরনের শার্ট মুহূর্তের মধ্যেই রক্তে সম্পূর্ণ ভিজে যায় এবং তিনি গুরুতরভাবে জখম হন। ককপিটের ভেতরে ঘটে যাওয়া এই নজিরবিহীন রক্তপাত ও সহিংসতার কারণেই বিমানটি তার নির্ধারিত উচ্চতা থেকে হঠাৎ করে ছিটকে পড়ে এবং নিয়ন্ত্রণহীনভাবে প্রবল বেগে মাটির দিকে ধেয়ে আসতে শুরু করে।
তবে এই চরম বিপদের ও জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণের মুহূর্তে সাধারণ যাত্রীদের অসীম সাহসিকতা, উপস্থিত বুদ্ধি এবং পরম সৌভাগ্য তাদের এক নিশ্চিত ও ভয়ংকর ট্র্যাজেডির হাত থেকে রক্ষা করেছে।
ইসরায়েলের শীর্ষস্থানীয় ও বহুল পঠিত সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্টের সঙ্গে আলাপকালে সেই ফ্লাইটে উপস্থিত থাকা এক প্রত্যক্ষদর্শী যাত্রী এই ভয়াল ও শ্বাসরুদ্ধকর অভিজ্ঞতার লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন।
তিনি অত্যন্ত আবেগময় কণ্ঠে জানান, ককপিটে যখন দুই পাইলটের মধ্যে প্রাণঘাতী সংঘাত চলছিল এবং বিমানটি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণহীনভাবে প্রচণ্ড গতিতে নিচে নেমে আসছিল, তখন যাত্রীদের মধ্যে চরম হাহাকার, আর্তনাদ ও কান্নার রোল পড়ে যায়।
কিন্তু সেই চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যেও সামনের সারিতে বসে থাকা কয়েকজন অত্যন্ত সাহসী যাত্রী নিজেদের জীবনের মায়া ত্যাগ করে তাৎক্ষণিকভাবে ককপিটের দিকে ছুটে যান। তারা সম্মিলিত ও সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় সেই হামলাকারী ও উন্মত্ত পাইলটকে নিবৃত্ত করতে সক্ষম হন এবং জোরপূর্বক তাকে ককপিট থেকে বের করে সাধারণ যাত্রীদের কেবিনে নিয়ে আসেন।
ওই যাত্রীর ভাষ্যমতে, সেই মুহূর্তটি ছিল তাদের জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর ও আতঙ্কজনক সময়। তবে পরম করুণাময়ের অশেষ কৃপায় ও সৌভাগ্যবশত, ওই ফ্লাইটের সাধারণ যাত্রীদের আসনের মধ্যেই অফ-ডিউটি অর্থাৎ ছুটি কাটানো অবস্থায় অন্য দুজন অত্যন্ত দক্ষ ও পেশাদার পাইলট সাধারণ পোশাকে ভ্রমণ করছিলেন।
ওই যাত্রী জেরুজালেম পোস্টকে জানান, "আমি যখন বুঝতে পারলাম যে ককপিটে বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার মতো আর কোনো সুস্থ বা স্বাভাবিক মানুষ অবশিষ্ট নেই, তখন আমি চিৎকার করে পেছনের আসনে বসে থাকা ওই দুই পাইলটকে দ্রুত ককপিটে দৌড়ে গিয়ে বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য আকুল আবেদন জানাই।"
পরিস্থিতির ভয়াবহতা, সময়ের স্বল্পতা এবং হাজারো মানুষের জীবনের ঝুঁকির বিষয়টি আঁচ করতে পেরে ওই দুই অফ-ডিউটি পাইলট বিন্দুমাত্র কালক্ষেপণ না করে ককপিটের দিকে ছুটে যান। তারা অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে ককপিটে প্রবেশ করে বিমানের নিয়ন্ত্রণভার সম্পূর্ণ নিজেদের হাতে তুলে নেন।
নিজেদের দীর্ঘদিনের পেশাদার অভিজ্ঞতা ও অসীম সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে তারা উড়োজাহাজটির ক্রমাগত নিচে নেমে আসার প্রচণ্ড গতি রোধ করেন এবং সেটিকে একটি স্থিতিশীল ও নিরাপদ অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হন। তাদের এই তাৎক্ষণিক, সাহসী ও পেশাদার হস্তক্ষেপে বিমানে থাকা সকল যাত্রীর প্রাণ নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পায়।
অন্যদিকে, ককপিটের ভেতরে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত, রক্তাক্ত ও মুমূর্ষু পাইলটের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসেন ফ্লাইটে থাকা এক দন্তচিকিৎসক বা ডেন্টিস্ট যাত্রী। মাঝ আকাশের সেই চরম সংকটাপন্ন ও অপ্রস্তুত মুহূর্তে ওই চিকিৎসক তার সর্বোচ্চ চিকিৎসা জ্ঞান, দক্ষতা ও উপস্থিত বুদ্ধি ব্যবহার করে আহত পাইলটকে জরুরি ও জীবনরক্ষাকারী প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন।
তার এই মানবিক, সাহসিকতাপূর্ণ ও তাৎক্ষণিক সহযোগিতার ফলে আহত পাইলট অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের হাত থেকে রক্ষা পান এবং উড়োজাহাজের ভেতরের সার্বিক পরিস্থিতি কিছুটা হলেও শান্ত ও নিয়ন্ত্রণে আসে।
এদিকে, ককপিটের ভেতরে ও যাত্রীদের কেবিনে যখন এই মরণপণ সংগ্রাম ও বাঁচার লড়াই চলছিল, তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানটির যোগাযোগ ব্যবস্থা থেকে ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি অত্যন্ত জরুরি সতর্কতা সংকেত বা 'স্কোয়াক কোড ৭৭০০' প্রেরণ করা হয়।
আন্তর্জাতিক এভিয়েশন আইন ও রাডার যোগাযোগ ব্যবস্থা অনুযায়ী, মাঝ আকাশে উড্ডয়নরত কোনো বিমান চরম সংকটে পড়লে, মারাত্মক যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে অথবা বিমানটি কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর দ্বারা ছিনতাইয়ের শিকার হওয়ার মতো গুরুতর আশঙ্কার সৃষ্টি হলে ট্রান্সপন্ডারের মাধ্যমে এই বিশেষ ধরনের জরুরি সংকেত পাঠানো হয়ে থাকে।
তেল আবিবের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল টাওয়ারে এই সংকেত পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই সেখানে সর্বোচ্চ মাত্রার জাতীয় সতর্কতা জারি করা হয়। ইসরায়েলি নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ প্রাথমিকভাবে প্রবলভাবে ধারণা করেছিল যে, সম্ভবত বাণিজ্যিক বিমানটি কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর দ্বারা ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছে।
এর ফলে বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের জন্য ফায়ার সার্ভিস, অসংখ্য অ্যাম্বুলেন্স, পুলিশ, বিশেষ নিরাপত্তা রক্ষী এবং অ্যান্টি-হাইজ্যাকিং বা ছিনতাই প্রতিরোধকারী সামরিক কমান্ডো বাহিনীকে রানওয়ের চারপাশে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রাখা হয়।
মুহূর্তের মধ্যেই সমগ্র বিমানবন্দর এলাকায় এক থমথমে, ভীতিকর ও চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে পরবর্তীতে বিমানের নতুন পাইলটদের সঙ্গে রেডিও যোগাযোগ স্থাপিত হলে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হয় যে এটি কোনো বাহ্যিক সন্ত্রাসী ছিনতাইয়ের ঘটনা নয়, বরং এটি পাইলটদের নিজেদের মধ্যকার এক অনাকাঙ্ক্ষিত অভ্যন্তরীণ সংঘাতের ভয়াবহ পরিণতি।
ঘটনার প্রকৃত স্বরূপ উন্মোচিত হওয়ার পর এবং বিমানের জ্বালানি ও যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা সর্বোচ্চ বিবেচনায় রেখে, বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সেই দুই অফ-ডিউটি পাইলট উড়োজাহাজটির গতিপথ তাৎক্ষণিকভাবে পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নেন।
তারা তেল আবিবের বদলে নিকটস্থ নিরাপদ গন্তব্য হিসেবে সৌদি আরবের তাবুক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমতি প্রার্থনা করেন। অনুমতি পাওয়ার পর অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে তারা বিমানটিকে সৌদি আরবের রানওয়েতে নিরাপদে নামিয়ে আনতে সক্ষম হন।
মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন তাদের প্রকাশিত বিস্তারিত প্রতিবেদনে তাবুক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের উচ্চপদস্থ সূত্রের বরাত দিয়ে নিশ্চিত করেছে যে, এই চরম অনাকাঙ্ক্ষিত ও ভয়ংকর ঘটনার পরও বিমানটির কোনো ধরনের কাঠামোগত বা যান্ত্রিক ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
সবচেয়ে স্বস্তির ও আনন্দের বিষয় হলো, বিমানে থাকা সকল সাধারণ যাত্রী সম্পূর্ণ অক্ষত ও নিরাপদে রয়েছেন। জরুরি অবতরণের পরপরই সৌদি আরবের স্থানীয় নিরাপত্তা রক্ষী, পুলিশ ও জরুরি চিকিৎসা কর্মীরা দ্রুত রানওয়েতে বিমানটির কাছে পৌঁছে যাত্রীদের নিরাপদে বের করে আনার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এবং আহত পাইলটকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত স্থানীয় একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
মাঝ আকাশে একটি আন্তর্জাতিক যাত্রীবাহী বিমানে পাইলটদের মধ্যে এহেন রক্তক্ষয়ী ও প্রাণঘাতী সংঘাত সমগ্র বিশ্বের বিমান চলাচল ব্যবস্থায় এক গভীর শঙ্কা ও বড় ধরনের উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
কীভাবে একজন পাইলট ককপিটের মতো নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ও অত্যন্ত সুরক্ষিত স্থানে একটি ধারালো ছুরি নিয়ে প্রবেশ করতে পারলেন এবং ঠিক কী কারণে তিনি তার সহকর্মীর ওপর এমন হিংস্র ও প্রাণঘাতী হামলা চালালেন, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মধ্যে ব্যাপক প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে।
এই অভাবনীয় ঘটনাটি বিশ্বের সকল বিমান সংস্থাগুলোর পাইলটদের নিয়মিত মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ফ্লাইট ডিউটির আগে ক্রুদের নিবিড় নিরাপত্তা তল্লাশি এবং ককপিটের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা প্রোটোকলকে নতুন করে কঠোর মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে।
তবে সকল শঙ্কা, গাফিলতি ও মৃত্যুর ভয়ের ঊর্ধ্বে গিয়ে, সেদিন আকাশে সাধারণ যাত্রীদের অসীম সাহস, অফ-ডিউটি পাইলটদের নিঃস্বার্থ দায়িত্ববোধ ও উপস্থিত বুদ্ধি এবং একজন চিকিৎসকের মানবিক অবদান মিলেমিশে এক অভূতপূর্ব বীরত্বের উপাখ্যান রচনা করেছে। তাদের এই অকুতোভয় সম্মিলিত প্রচেষ্টাই মূলত শত শত নিরীহ মানুষের জীবন বাঁচিয়ে এভিয়েশন ইতিহাসের অন্যতম এক মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি সংঘটিত হওয়াকে রুখে দিয়েছে।