বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ইরানের জাতীয় সংবাদ সংস্থা আইআরআইবি-এর বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম পার্সটুডে এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তার বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করেছে।
আধুনিক বিশ্বের চরম বস্তুগত টানাপোড়েন এবং বহুমুখী মনস্তাত্ত্বিক ও আদর্শিক সংকটের এই যুগে, আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ীর এই বার্তাটি কেবল একটি ধর্মীয় অনুশাসন পালনের তাগিদ নয়, বরং এটি একটি সুস্থ, সুন্দর ও আদর্শ রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং সমাজ গঠনের এক সুনির্দিষ্ট রূপরেখা।
তাঁর এই দীর্ঘ ও বিশ্লেষণধর্মী বার্তায় মূলত মানুষের ব্যক্তিগত পরিশুদ্ধি থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের দায়িত্ববোধ এবং সর্বোপরি একটি পূর্ণাঙ্গ ইসলামি সভ্যতা বিনির্মাণের ক্ষেত্রে নামাজের অপরিহার্য ও কেন্দ্রীয় ভূমিকার ওপর সবচেয়ে বেশি আলোকপাত করা হয়েছে।
সম্মেলনে প্রেরিত তাঁর এই লিখিত বার্তার শুরুতেই আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী অত্যন্ত বিনয় ও আধ্যাত্মিক গভীরতার সঙ্গে স্মরণ করিয়ে দেন যে, নামাজ সম্পর্কে আলোচনা করা বা এর অন্তর্নিহিত তাৎপর্য নিয়ে লেখা মূলত ঐশী বাণী, মানবতার মুক্তির দিশারি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র বাণী এবং নিষ্পাপ ইমামদের রেখে যাওয়া মহান আদর্শের মর্যাদাপূর্ণ এক অধিকার।
তিনি অত্যন্ত বিনম্র চিত্তে উল্লেখ করেন যে, নামাজের মতো এমন একটি সুবিশাল, গভীর ও অসীম তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত লেখার বা এর প্রকৃত হক আদায় করার মতো যোগ্যতা হয়তো তাঁর মতো সাধারণ কোনো মানুষের কলমের নেই।
তারপরও, একটি ইসলামি সমাজের নিজস্ব আত্মপরিচয় টিকিয়ে রাখার স্বার্থে, যুগের অপরিহার্য দাবি মেটাতে এবং সর্বোপরি ইসলামি বিপ্লবের নেতৃত্বসহ সমাজের সকল স্তরের সেবকদের তাদের নিজ নিজ পবিত্র দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করার তাগিদেই তিনি দেশবাসী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে এই স্মরণিকাটি উপস্থাপন করাকে নিজের একটি নৈতিক ও রাষ্ট্রীয় কর্তব্য বলে মনে করেছেন।
তাঁর মতে, স্রষ্টা ও সৃষ্টির মধ্যকার এই পবিত্র মেলবন্ধনকে কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না, বরং একে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ছড়িয়ে দিতে হবে। নামাজকে মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে মানবজাতির জন্য প্রেরিত অন্যতম সুন্দর, অমূল্য এবং সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এই প্রবীণ নেতা।
তাঁর সুচিন্তিত ও গভীর দর্শন অনুযায়ী, নামাজ কেবল কয়েকটি নির্দিষ্ট শারীরিক অঙ্গভঙ্গির সমষ্টি নয়; এটি হলো পবিত্র দ্বীন বা ধর্মের সর্বোচ্চ প্রতীক এবং সবচেয়ে মজবুত স্তম্ভ। পৃথিবীতে বিচরণশীল প্রতিটি মানুষের সঙ্গে সেই অসীম, অফুরন্ত ও চিরন্তন ঐশী উৎসের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ, সরাসরি এবং নিবিড় যোগাযোগের একমাত্র সেতুবন্ধন হলো এই নামাজ।
তিনি তাঁর বার্তায় অত্যন্ত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, নামাজ হলো মানবজীবনের প্রকৃত সাফল্য, চূড়ান্ত মুক্তি এবং একটি নিষ্কলুষ ও পবিত্র জীবন গঠনের সবচেয়ে সুদৃঢ় ভিত্তি। প্রতিটি মানুষের ভেতরে লুকিয়ে থাকা কুপ্রবৃত্তি বা নফসের শয়তান এবং একই সঙ্গে বাহ্যিক পৃথিবীর দৃশ্যমান ও অদৃশ্য নানা শয়তানি বা অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে মানুষের যে অনন্তকালের সংগ্রাম, সেই কঠিন ও দীর্ঘস্থায়ী সংগ্রামে নামাজ হলো এক দৃঢ়, অপ্রতিরোধ্য ও অব্যাহত অবলম্বন।
এটি কেবল সংগ্রামের হাতিয়ারই নয়, বরং এটি হলো মানুষের জন্য এক অফুরন্ত পাথেয় এবং ভালোবাসা, আশা, অসীম দয়া ও পরম প্রশান্তির এক প্রবহমান ও অন্তহীন ঝরনাধারা। একাগ্রচিত্তে নামাজ প্রতিষ্ঠা এবং মহান প্রভুর দরবারে কায়মনোবাক্যে ক্ষমা প্রার্থনার মাধ্যমেই কেবল আকাশ থেকে আল্লাহর অশেষ রহমত ও রিজিকের প্রাচুর্য পৃথিবীর বুকে নাজিল হয় এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা আরও বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।
তবে, নামাজ কায়েম করার এই অবশ্যপালনীয় ফরজ দায়িত্বটিকে তিনি কেবল ব্যক্তির নিজস্ব বা একান্ত ব্যক্তিগত ধর্মীয় গণ্ডির মধ্যে আবদ্ধ রাখতে রাজি নন। পবিত্র কুরআনের শাশ্বত শিক্ষা ও নির্দেশনার আলোকে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, সমাজে ন্যায়বিচার ও ইনসাফভিত্তিক সৎকর্মশীলদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সর্বপ্রথম ও সবচেয়ে দৃশ্যমান ফল বা নিদর্শনই হলো এই নামাজ প্রতিষ্ঠা।
মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনের সূরা হজে অত্যন্ত সুনিষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন, "আমি যদি তাদের পৃথিবীতে ক্ষমতা দিই, তারা নামাজ প্রতিষ্ঠা করবে।" আল্লাহর সাহায্য এবং তাঁর পথে অবিচল থাকা সংগ্রামীদের জন্য বিজয়ের যে ঐশী প্রতিশ্রুতি রয়েছে, সেই প্রতিশ্রুতির আয়াতের ঠিক পরেই এই আয়াতটির উল্লেখ থাকার বিষয়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
এর মাধ্যমে মূলত এটাই স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় যে, যেকোনো পরিস্থিতিতে আল্লাহর স্মরণকে জাগরূক রাখা এবং তাঁর প্রতি অটল আশা ও অগাধ আস্থার একটি সুদৃঢ় মনস্তাত্ত্বিক ভিত্তি হিসেবে সমাজে নামাজ প্রতিষ্ঠার এক অনন্য ও বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।
বিশেষ করে বর্তমান বিশ্বে রাজনৈতিক ও আদর্শিক সংগ্রামের যে কঠিন ময়দান আজ সমগ্র ইরানি জাতির সামনে উন্মুক্ত রয়েছে, সেখানে আধ্যাত্মিক শক্তি সঞ্চয় এবং কাঙ্ক্ষিত বিজয় অর্জনের জন্য এই নামাজের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক ও অনস্বীকার্য।
বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করে আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে জানান যে, আজ যখন প্রিয় ইরানি জনগণের নিজস্ব ক্ষমতা, আত্মবিশ্বাস এবং বহুমুখী সক্ষমতার শর্তগুলো অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি অনুকূল ও সুসংহত হয়েছে, ঠিক তখনই গোটা জাতিকে ঐক্যবদ্ধভাবে নামাজ প্রতিষ্ঠার সেই পবিত্র ও বারবার উচ্চারিত ঐশী নির্দেশের মুখোমুখি দাঁড়াতে হচ্ছে, যেখানে বলা হয়েছে-‘তোমরা নামাজ প্রতিষ্ঠা করো।’
সমাজকাঠামোর প্রতিটি স্তরে এই নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য তিনি সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের ওপর ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। তিনি মনে করেন, এই মহান ও পবিত্র কাজে সমাজের সকল প্রভাবশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাঁধে অতিরিক্ত ও বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে।
একটি শিশুর প্রাথমিক মূল্যবোধ তৈরি হয় পরিবার থেকে, তাই বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যদের ভূমিকা এখানে সবার আগে। এরপরই আসে সমাজ গঠনের কারিগর শিক্ষক, বন্ধু-বান্ধব, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং দেশের চিন্তাশীল বুদ্ধিজীবী সমাজের কথা।
পাশাপাশি, সমাজের পরিচিত ও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন স্তরের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোরও এ বিষয়ে অপরিসীম দায়বদ্ধতা রয়েছে। বিশেষ করে মসজিদ কমিটি, জুমার নামাজের আয়োজকবৃন্দ, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ধর্মীয় শিক্ষাকেন্দ্র বা মাদ্রাসা, রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মী এবং জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে গড়ে ওঠা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর কথা তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন।
কারণ, এই প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিরাই প্রতিনিয়ত সমাজের সবচেয়ে সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ অর্থাৎ কিশোর ও তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে সরাসরি এবং অত্যন্ত নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত থাকেন। একটি সমাজ যখন ইসলামের বিশুদ্ধ ও আদি মুহাম্মদি আদর্শের পতাকাকে সগর্বে ঊর্ধ্বে তুলে ধরে এবং পৃথিবীতে একটি ন্যায়ভিত্তিক ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠায় গর্ববোধ করে, তখন সেই সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিটি পর্যায়ে এবং ক্রমবিকাশের প্রতিটি স্তরে নামাজকে অত্যন্ত সুচারুভাবে ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা করা একটি অবশ্যম্ভাবী ও অপরিহার্য কাজ হয়ে দাঁড়ায়।
আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ীর দূরদর্শী চিন্তাধারায়, একটি জাতির অগ্রযাত্রার কয়েকটি সুনির্দিষ্ট ধাপ রয়েছে। প্রথমে আসে ইসলামি আন্দোলন, এরপর আসে সফল ইসলামি বিপ্লব। কিন্তু বিপ্লব সফল হওয়াই শেষ কথা নয়; সেই বিপ্লবের পর্যায় থেকে একটি পরিপূর্ণ ও আদর্শ 'ইসলামি সমাজের' পর্যায়ে অগ্রসর হওয়ার জন্য সমাজে নামাজের সর্বব্যাপী বিস্তার অপরিহার্য।
আর যখন একটি সমাজ এই গুণাবলি অর্জন করতে সক্ষম হবে, কেবল তখনই সেই সমাজকে একটি বৈশ্বিক ও সর্বাঙ্গীণ 'ইসলামি সভ্যতার' উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভবপর হবে। এই সুবিশাল ও দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য অর্জনের জন্য তিনি দুটি প্রধান দিকের ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছেন।
প্রথমত, সমাজের প্রতিটি স্তরে নামাজকে একটি সুদৃঢ় প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া এবং এর অত্যন্ত ব্যাপক ও সর্বজনীন প্রচলন নিশ্চিত করা। আর দ্বিতীয়ত, সমাজবদ্ধভাবে এবং অত্যন্ত সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে নামাজ আদায়ের জন্য সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা।
এই কাঙ্ক্ষিত ও পবিত্র লক্ষ্যগুলো অর্জনের পূর্বশর্ত হিসেবে তিনি মসজিদগুলোকে কেবল উপাসনালয় হিসেবে নয়, বরং সমাজের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে সবদিক থেকে আরও বেশি কার্যকর ও সমৃদ্ধ করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
একই সঙ্গে জামাতে আদায়কৃত দৈনিক নামাজ এবং সাপ্তাহিক জুমার নামাজের পরিমাণগত বিস্তারের পাশাপাশি এগুলোর আনুষ্ঠানিক ও আধ্যাত্মিক মান উন্নয়নের জন্য যাবতীয় প্রয়োজনীয় ও যুগোপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণেরও তিনি সুস্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন।
এক্ষেত্রে সমাজের নেতৃত্বদানকারী জামাত ও জুমার ইমামদের ভূমিকা যে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ, তা তিনি নির্দ্বিধায় স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। তাঁর মতে, একজন প্রকৃত ইমামকে কেবল আনুষ্ঠানিক উপাসনা পরিচালনাকারী হলেই চলবে না, বরং তাঁকে হতে হবে সাধারণ জনগণের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়স্থল।
সমাজের মানুষের দৈনন্দিন অভাব-অভিযোগ, দুঃখ-কষ্ট ও মনের কথাগুলো অত্যন্ত সহমর্মিতা ও ধৈর্য্যের সঙ্গে শোনার মতো একজন আদর্শ শ্রোতা এবং অভিভাবক হিসেবে ইমামদের আত্মপ্রকাশ করা উচিত।
বার্তার শেষাংশে আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী এই মহান উদ্যোগের পেছনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও নিরলস প্রচেষ্টার কথা অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, দেশে নামাজ প্রতিষ্ঠার এই মহান ও পবিত্র দায়িত্বের প্রতি গভীর মনোযোগ আকর্ষণ এবং বিশেষভাবে জাতীয় পর্যায়ে এমন বৃহৎ পরিসরে নামাজ সম্মেলন আয়োজনের মতো প্রয়োজনীয় ও অপরিহার্য উদ্যোগগুলো মূলত গত শতাব্দীর সত্তরের দশকের শুরু থেকেই শুরু হয়েছিল।
কুরআনের বিশিষ্ট শিক্ষক এবং অত্যন্ত দক্ষ ধর্মীয় প্রচারক হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন কারায়াতির ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দেশে এই পবিত্র আন্দোলনের সূচনা হয়। পরবর্তীতে মহান শহীদ নেতার এই বিষয়টির প্রতি বিশেষ ও ব্যক্তিগত গুরুত্ব আরোপ এবং গত ৩২টি সফল নামাজ সম্মেলনে তাঁর দেওয়া ধারাবাহিক, সুচিন্তিত ও জোরালো দিকনির্দেশনাগুলো এই মহান নীতির গুরুত্ব ও তাৎপর্যকে সমাজে আরও বহুগুণে বৃদ্ধি করেছে।
পরিশেষে, তিনি পরম করুণাময় মহান আল্লাহর অশেষ অনুগ্রহ এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক ইমাম মাহদির (আ.) বিশেষ দয়া ও প্রার্থনার ওপর গভীর ভরসা রেখে এই ঐকান্তিক আশা ব্যক্ত করেছেন যে, তাঁদের প্রিয় জাতি ও দেশ সমাজে সর্বাত্মকভাবে নামাজ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবে এবং এর মাধ্যমে উভয় জাহানের সার্বিক কল্যাণ, শান্তি ও অফুরন্ত বরকত লাভের ক্ষেত্রে চূড়ান্তভাবে সফল ও সার্থক হবে।