এই মানবিক সংকটের পাশাপাশি শনিবার ভোর থেকে গাজা উপত্যকাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ১১৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩৮ জন মার্কিন-সমর্থিত বিতর্কিত ত্রাণ কেন্দ্র থেকে খাবার সংগ্রহের চেষ্টা করার সময় ইসরায়েলি গুলিতে প্রাণ হারান। প্রত্যক্ষদর্শীরা এই ত্রাণ কেন্দ্রগুলোকে "মৃত্যুফাঁদ" হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, "হঠাৎ করেই আমরা দেখলাম একদিক থেকে জিপ এবং অন্যদিক থেকে ট্যাংক এসে আমাদের ওপর গুলি চালাতে শুরু করেছে।" যদিও মার্কিন-সমর্থিত গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ) এই হত্যাকাণ্ডের দায় অস্বীকার করেছে।
এদিকে, আন্তর্জাতিক রেড ক্রস এবং রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সতর্ক করে বলেছে যে, গাজার ফিলিস্তিনিরা "দুর্ভিক্ষের তীব্র ঝুঁকির" মধ্যে রয়েছে। ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা জানিয়েছে, গাজার সমগ্র জনসংখ্যার জন্য পর্যাপ্ত খাদ্যসামগ্রী মিশর সীমান্তে প্রস্তুত রয়েছে। সংস্থাটি ইসরায়েলের প্রতি অবিলম্বে সীমান্ত খুলে দেওয়ার এবং অবরোধ তুলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। শনিবারের হামলাগুলোতে খান ইউনিসের কাছে বাস্তুচ্যুতদের তাঁবু এবং মধ্য গাজায় একটি আবাসিক বাড়িতে বোমা হামলা চালানো হয়, যেখানে নুসেইরাত থানার পুলিশ প্রধান কর্নেল ওমর সাঈদ আকল তার পরিবারের ১১ জন সদস্যসহ নিহত হন। এই ঘটনাগুলো গাজায় চলমান সংঘাত এবং মানবিক বিপর্যয়ের গভীরতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
---