সংবাদ সম্মেলনে মহাসচিব জানান, আসন্ন নির্বাচনে দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। আসনগুলো হলো- ফেনী-১, বগুড়া-৭ এবং দিনাজপুর-৩। একইসাথে, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেবেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে এবং ঢাকা-১৪ আসনে 'মায়ের ডাক' সংগঠনের আলোচিত প্রতিনিধি সানজিদা তুলি লড়বেন বলে জানানো হয়। অন্যান্য জেলার আসনগুলোর সম্ভাব্য প্রার্থীদের নামও পর্যায়ক্রমে ঘোষণা করা হচ্ছে।
এই প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পূর্বে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বিএনপির স্থায়ী কমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকেই দলীয় প্রার্থীদের নামের এই প্রাথমিক তালিকাটি চূড়ান্ত অনুমোদন পায়।
সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, "দীর্ঘ ১৬ বছর পর আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে আমরা একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচন পেতে যাচ্ছি।" তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, আপাতত ২৩৭টি আসনের তালিকা দেওয়া হলেও অবশিষ্ট আসনগুলো যুগপৎ আন্দোলনে থাকা শরিক দলগুলোর প্রার্থীদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে এবং তা সমন্বয় করে নেওয়া হবে। এর আগে এক সাক্ষাৎকারে মহাসচিব জানিয়েছিলেন, নির্বাচনে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা যাচাই করার জন্য মাঠ পর্যায়ে ব্যাপক জরিপ পরিচালনা করা হয়েছে এবং সেই জরিপের ভিত্তিতেই প্রার্থীদের বাছাই করা হচ্ছে।
এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণাকালে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আব্দুল মঈন খান, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।