বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের ঐতিহাসিক বিতর্ক শুরু

আর এন এস আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:৪৪ পিএম

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের ঐতিহাসিক বিতর্ক শুরু
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ব রাজনীতির সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ও বৃহত্তম কূটনৈতিক সম্মেলন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উচ্চপর্যায়ের ‘সাধারণ বিতর্ক’ বা জেনারেল ডিবেট পর্ব আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।

 

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সদর দপ্তরে বিশ্বনেতাদের উপস্থিতিতে এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্বের সূচনা ঘটে। আন্তর্জাতিক শান্তি, বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও চলমান বহুমুখী সংকট নিরসনের লক্ষ্যে প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের নিয়ে এই বিতর্কের আয়োজন করা হয়।

 

উদ্বোধনী পর্বের শুরুতেই বিশ্ববাসীর সামনে দাঁড়িয়ে নীতিগত ও দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ প্রদান করেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। বিদ্যমান ভূরাজনৈতিক বিভাজন, চলমান সামরিক সংঘাত, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির স্থবিরতা মোকাবিলার উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে মহাসচিব এই বৈশ্বিক সম্মেলনকে ঐক্য ও সংহতির একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছেন।

 

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম গত ১৮ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছিল। তবে সাধারণ পরিষদের সূচি অনুযায়ী প্রথম কয়েক দিন সদস্য দেশগুলোর বিভিন্ন প্রশাসনিক ও পদ্ধতিগত বিষয়াবলি নিষ্পন্ন করা হয়।

 

বিশ্বের শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে যে মূল আকর্ষণ, অর্থাৎ যে অধিবেশনে বিশ্বের প্রতিটি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানরা সশরীরে উপস্থিত হয়ে বৈশ্বিক সংকট নিয়ে সরাসরি ভাষণ দেন এবং পরস্পরের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন, সেই কাঙ্ক্ষিত সাধারণ বিতর্ক পর্বটি আজ থেকে পূর্ণাঙ্গরূপে শুরু হলো।

 

উদ্বোধনী বক্তব্য শেষে সাধারণ পরিষদের সুদীর্ঘ দিনের চিরায়ত কূটনৈতিক প্রথা ও ঐতিহ্য অনুসরণ করে রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের মধ্য থেকে সর্বপ্রথম ভাষণ প্রদানের জন্য মঞ্চে আমন্ত্রণ জানানো হয় ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টকে।

 

জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে চলে আসা এই ঐতিহ্য অনুযায়ী উদ্বোধনী বিতর্কের মূল পর্বের প্রথম বক্তা হিসেবে লাতিন আমেরিকার এই বৃহৎ দেশটির নেতা বিশ্ব দরবারে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন। এরপরই স্বাগতিক দেশের প্রতিনিধি হিসেবে সাধারণ পরিষদের মঞ্চে দ্বিতীয় বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখবেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

 

উদ্বোধনী ভাষণে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বিশ্বব্যবস্থার চলমান ভঙ্গুর অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বিশ্বনেতাদের সতর্ক করে বলেন, বিশ্বজুড়ে দেশগুলোর মধ্যে যে বিভাজনের রেখা বা ‘ফল্ট লাইন’ রয়েছে, তা দিন দিন আরও চওড়া হচ্ছে।

 

আন্তর্জাতিক আইন ও সনদের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ কমে যাওয়া এবং বহুপাক্ষিক সমঝোতার জায়গায় একপাক্ষিক পদক্ষেপের আধিপত্য বৃদ্ধি বৈশ্বিক স্থিতিশীলতাকে চরম ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। এই ভয়াবহ ফাটল মেরামতের জন্য তিনি সমগ্র বিশ্ববাসীকে নতুন করে একতাবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

 

মহাসচিব অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে উল্লেখ করেন যে, বর্তমান একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে কেবল সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে বিশ্বে কখনোই টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। এর পাশাপাশি তিনি এ কথাও স্মরণ করিয়ে দেন যে, অর্থনৈতিক প্রাচুর্য কিংবা প্রযুক্তিগত উৎকর্ষও এককভাবে মানবজাতির জন্য কাঙ্ক্ষিত শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না।

 

শান্তির জন্য প্রয়োজন পারস্পরিক বোঝাপড়া, কূটনৈতিক সদিচ্ছা এবং মানবাধিকারের প্রতি শর্তহীন সম্মান প্রদর্শন। বক্তব্যের অন্যতম প্রধান অংশ জুড়ে ছিল মধ্যপ্রাচ্যের চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাত, বিশেষ করে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার অবর্ণনীয় মানবিক বিপর্যয়ের কথা।

 

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে গুতেরেস অত্যন্ত আবেগময় ও জোরালো কণ্ঠে বলেন, বিশ্ববাসীর নজর কোনোভাবেই গাজার বর্তমান পরিস্থিতি থেকে সরতে দেওয়া যাবে না। তিনি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করে বলেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর দীর্ঘ তিন বছর অতিবাহিত হয়েছে।

 

কিন্তু এই তিন বছরে গাজা উপত্যকায় যে মাত্রায় ধ্বংসযজ্ঞ ও প্রাণহানি ঘটানো হয়েছে, তা সম্পূর্ণ নজিরবিহীন। মহাসচিব আক্ষেপ করে বলেন, তার জীবদ্দশায় পৃথিবীর আর কোথাও এমন ভয়াবহ ও নির্বিচার ধ্বংসযজ্ঞ তিনি দেখেননি।

 

গাজার এই চরম মানবিক সংকটে জাতিসংঘের ত্রাণ ও সহায়তা সংস্থাগুলোর দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে যে প্রতিনিয়ত বাধা দেওয়া হচ্ছে, তার তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। অবরুদ্ধ ও যুদ্ধবিধ্বস্ত এই ভূখণ্ডে জাতিসংঘের যে অপরিহার্য মানবিক দায়িত্ব রয়েছে, তা স্বাধীন ও নির্বিঘ্নে পালন করার সুযোগ নিশ্চিত করতে তিনি বিশ্বনেতাদের প্রতি জোর আহ্বান জানান।

 

এর পাশাপাশি ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলা, অবৈধ বসতি স্থাপন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টিও তাঁর বক্তব্যে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে।

 

মধ্যপ্রাচ্যের পাশাপাশি পূর্ব ইউরোপের চলমান সংঘাত নিয়েও কথা বলেন জাতিসংঘ মহাসচিব। রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার চলমান যুদ্ধকে তিনি একটি ভয়াবহ ও ‘নৃশংস যুদ্ধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

 

গুতেরেস বলেন, এই দীর্ঘস্থায়ী সামরিক সংঘাতের ফ্রন্টলাইন বা যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতিদিন অসংখ্য নিরীহ বেসামরিক মানুষ নির্মমভাবে হত্যার শিকার হচ্ছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি নিহত হয়েছেন ইউক্রেনীয় বেসামরিক নাগরিকরা।

 

তবে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংঘাতের মাত্রা এতটাই ভয়াবহ রূপ নিয়েছে যে, সম্প্রতি রাশিয়ার অভ্যন্তরেও বেসামরিক নাগরিকদের মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। তিনি অবিলম্বে এই ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ বন্ধ করে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ ও স্থায়ী সমাধানের পথ খোঁজার জন্য বিবদমান পক্ষগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।

 

জাতিসংঘের সর্বোচ্চ এই নীতিনির্ধারণী মঞ্চ থেকে গুতেরেস আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাঠামোগত সংস্কারের দাবিও অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে তুলে ধরেন। বিশেষ করে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে (ইউএনএসসি) আফ্রিকা মহাদেশের প্রতিনিধিত্ব না থাকার বিষয়টিকে তিনি ঐতিহাসিক বৈষম্য হিসেবে চিহ্নিত করেন।

 

নিরাপত্তা কাউন্সিলে আফ্রিকান দেশগুলোর জন্য স্থায়ী আসনের জোরালো দাবি জানিয়ে মহাসচিব বলেন, এটি অত্যন্ত হতাশাজনক যে আজও বৈশ্বিক নিরাপত্তার এই সর্বোচ্চ সংস্থায় আফ্রিকার কোনো স্থায়ী প্রতিনিধি নেই।

 

একবিংশ শতাব্দীর এই আধুনিক যুগে এসেও নিরাপত্তা কাউন্সিলে আফ্রিকানদের কোনো স্থায়ী প্রতিনিধিত্ব না থাকাটা একটি চরম অবিচার এবং এটি বৈশ্বিক বাস্তবতার কাছে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। তিনি বিশ্বনেতাদের স্মরণ করিয়ে দেন যে, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমসাময়িক যুগের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক রাখতে হলে এই বৈষম্যমূলক ব্যবস্থার অবিলম্বে পরিবর্তন হতে হবে।

 

উন্নয়নশীল বিশ্বকে বাদ দিয়ে বৈশ্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের দিন শেষ হয়ে গেছে বলে তিনি স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেন। ভাষণের শেষ প্রান্তে এসে আন্তোনিও গুতেরেস নারী অধিকার ও বৈশ্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন।

 

তিনি সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন যে, সমাজ ও রাষ্ট্রে নারীর সমান অধিকার, মর্যাদা এবং সার্বিক মানবাধিকার নিশ্চিত করা ছাড়া বিশ্বে কখনোই প্রকৃত শান্তি ও টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। মানবাধিকারকে প্রতিটি রাষ্ট্রীয় নীতির কেন্দ্রে রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি তার দীর্ঘ ও তাৎপর্যপূর্ণ উদ্বোধনী ভাষণ সমাপ্ত করেন।

 

বিশ্ব যখন একের পর এক বহুমুখী সংকট ও জটিল ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে, ঠিক তখনই সাধারণ পরিষদের এই ৮১তম অধিবেশন বিশ্বনেতাদের এক ছাদের নিচে সমবেত হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।

 

এখন দেখার বিষয়, মহাসচিবের এই ঐক্যের ডাক বিশ্বনেতাদের মনে কতটা প্রভাব ফেলে এবং আগামী দিনগুলোতে সাধারণ বিতর্কের মঞ্চ থেকে বৈশ্বিক সংঘাত নিরসনে কী ধরনের কার্যকর রূপরেখা বেরিয়ে আসে।

 

মহাসচিবের এই উদ্বোধনী ভাষণের পর আন্তর্জাতিক মহলের সম্পূর্ণ মনোযোগ এখন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আসন্ন ভাষণের দিকে নিবদ্ধ হয়েছে।

 

বিশেষ করে বিশ্বের একক বৃহৎ অর্থনৈতিক ও সামরিক পরাশক্তির শীর্ষ নেতা হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প এই বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম থেকে ঠিক কোন কোন ইস্যুকে তার পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরবেন, তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ ও জোর আলোচনা চলছে।

 

ধারণা করা হচ্ছে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভাষণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বৈশ্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের চলমান দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধপরিস্থিতি এবং জাতিসংঘের মতো বহুপাক্ষিক সংস্থাগুলোর কার্যকারিতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত জোরালোভাবে স্থান পাবে।

 

বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশের শীর্ষ নীতিনির্ধারকরা স্বাগতিক দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের এই গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন, কারণ তার বক্তব্যের ওপরই আগামী দিনগুলোর অনেক বৈশ্বিক সমীকরণ নির্ভর করছে।

 

পরিশেষে এটি বলা যায় যে, জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্বের মধ্য দিয়ে নিউইয়র্কে আজ যে বৈশ্বিক মিলনমেলার সূচনা হলো, তা সমগ্র মানবজাতির ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক ও কূটনীতিকরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন।

 

সাধারণ বিতর্ক পর্বে আগামী দিনগুলোতে ক্ষুদ্র ও বৃহৎ নির্বিশেষে পৃথিবীর প্রতিটি সার্বভৌম রাষ্ট্র সম্পূর্ণ সমমর্যাদার ভিত্তিতে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার অবারিত সুযোগ পাবে। বৃহৎ বৈশ্বিক পরাশক্তিগুলোর আধিপত্য ও প্রতিযোগিতার পাশাপাশি উন্নয়নশীল এবং প্রান্তিক দেশগুলোর অধিকারের কণ্ঠস্বরও এই সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রবলভাবে প্রতিধ্বনিত হবে।

 

বৈশ্বিক সংঘাত নিরসন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং সর্বোপরি একটি ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিময় পৃথিবী বিনির্মাণে বিশ্বনেতারা শেষ পর্যন্ত কতটা কার্যকর ঐক্যমত্যে পৌঁছাতে পারেন, সমগ্র বিশ্ববাসী এখন সেদিকেই পরম প্রত্যাশা নিয়ে গভীর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে আছে।

 

- আল জাজিরা