তার ব্যাটের ওপর ভর করেই মূলত আইরিশরা স্বাগতিক বোলারদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে সক্ষম হয়। ইনিংসের শুরুটা আয়ারল্যান্ডের জন্য ছিল বেশ আশাব্যঞ্জক। অধিনায়ক পল স্টার্লিং শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলার ইঙ্গিত দেন। তিনি ১৮ বলে ২১ রান করে পঞ্চম ওভারে বিদায় নিলেও দলের রানরেট সচল ছিল। এরপর ক্রিজে এসে টিম টেক্টর দ্রুতলয়ে রান তোলার চেষ্টা করেন।
মাত্র ১৯ বলে ৩২ রানের এক ঝোড়ো ইনিংস খেলেন তিনি, যেখানে ছয়টি বাউন্ডারির মার ছিল। ৭১ রানে দ্বিতীয় উইকেটের পতনের পর দলের হাল ধরেন হ্যারি টেক্টর। তিনি একদিকে যেমন উইকেট আগলে রাখেন, অন্যদিকে সুযোগ বুঝে বাউন্ডারি ও ওভার বাউন্ডারি হাঁকিয়ে রানের গতি বাড়াতে থাকেন। হ্যারি টেক্টর ৪৫ বল মোকাবেলা করে ৬৯ রানের এক দুর্দান্ত অপরাজিত ইনিংস খেলেন।
তার এই ইনিংসে ছিল একটি চার এবং পাঁচটি বিশাল ছক্কার মার। টেক্টরের এই ‘অ্যাঙ্করিং’ বা ইনিংস মেরামতের ভূমিকাই আয়ারল্যান্ডকে বড় সংগ্রহের ভিত্তি গড়ে দেয়। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন লরকান টাকার এবং কার্টিস ক্যাম্পার। টাকার ১৮ রান করে বিদায় নিলেও ক্যাম্পার ১৭ বলে ২৪ রানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যামিও ইনিংস খেলেন। ইনিংসের শেষ দিকে জর্জ ডকরেল অপরাজিত ১২ রান যোগ করলে আয়ারল্যান্ডের স্কোর ১৮০-এর কোটা অতিক্রম করে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের বোলারদের জন্য দিনটি ছিল বেশ পরিশ্রমের। আইরিশ ব্যাটারদের নিয়ন্ত্রিত আগ্রাসনের মুখে টাইগার বোলাররা নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিতে ব্যর্থ হন। তানজিম হাসান সাকিব ৪১ রান খরচায় ২টি উইকেট শিকার করেন, যা ছিল দলের পক্ষে সর্বোচ্চ সাফল্য। শরিফুল ইসলাম এবং রিশাদ হোসেন প্রত্যেকে একটি করে উইকেট লাভ করেন।
তবে উইকেটের দেখা না পেলেও অভিজ্ঞ পেসার মোস্তাফিজুর রহমান ছিলেন সবচেয়ে মিতব্যয়ী; তিনি তার নির্ধারিত চার ওভারে মাত্র ২৩ রান খরচ করেন। এখন এই লক্ষ্য তাড়া করে জয় পেতে হলে বাংলাদেশের ব্যাটারদের বিশেষ দায়িত্ব নিতে হবে এবং শুরু থেকেই রান রেটের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খেলতে হবে।