ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিমান হামলা চালানো হয়েছে মূলত হামাসের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের প্রতিক্রিয়ায়। এই লঙ্ঘনের মধ্যে রয়েছে গতকাল দক্ষিণ গাজার রাফাহ-তে ইসরায়েলি সেনাদের ওপর হামাসের একটি মারাত্মক আক্রমণ, যার ফলে সেনারা হতাহত হয়েছে।
এছাড়াও, যুদ্ধবিরতির শর্তানুযায়ী হামাসের যে ১৩ জন বন্দীর মৃতদেহ ফিরিয়ে দেওয়ার কথা ছিল, সেই অঙ্গীকার পূরণে ব্যর্থতার কারণেই এই আক্রমণগুলো চালানো হয়েছে বলে জানা যায়। হামাস কর্তৃক যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গের পরই ইসরায়েল পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ নেয়।
গাজা উপত্যকায় এই সাময়িক যুদ্ধবিরতি চলাকালীনও উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ইসরায়েল এবং হামাস উভয়ের বিরুদ্ধেই যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে, উভয় পক্ষই যখন নিজেদের সামরিক পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি দিচ্ছে, তখন পুনরায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার ঘোষণা একটি জটিল বাস্তবতাকে তুলে ধরে।
নিরাপত্তা ও সামরিক সূত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সকাল ১০টা থেকে এই নতুন চুক্তির অধীনে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে, সংঘাতের মাত্রা সাময়িকভাবে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মহল এই যুদ্ধবিরতি স্থায়িত্ব লাভ করবে কিনা, সেদিকে নজর রাখছে।