যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী, বর্তমানে এই এলাকাগুলো ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হামলার ব্যাপকতা ছিল উত্তর থেকে দক্ষিণ গাজা পর্যন্ত বিস্তৃত। উত্তর গাজায় ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে এবং একটি সামরিক হেলিকপ্টার জাবালিয়া শহরের পূর্বাঞ্চলে ব্যাপক গুলিবর্ষণ করে। অন্যদিকে, দক্ষিণ গাজার রাফাহ শহরেও বিমান হামলা চালানো হয়েছে।
একই সময়ে ইসরায়েলি সামরিক যান থেকে রাফাহর উত্তরাঞ্চলে গুলি ছোড়া হয়। উল্লেখ্য, রাফাহ শহরটিও বর্তমানে ইসরায়েলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি আগ্রাসনে গাজা উপত্যকা কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এই দীর্ঘ সংঘাত ও বর্বরোচিত অভিযানে এ পর্যন্ত ৭১,৪০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। আহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরেও ইসরায়েলি বাহিনী তাদের হামলা অব্যাহত রেখেছে। যুদ্ধবিরতি চলাকালীন সময়েই তাদের হামলায় এখন পর্যন্ত ৪২৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১,১৮৯ জন আহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যুদ্ধবিরতির আহ্বান সত্ত্বেও এই নতুন হামলার ঘটনা গাজায় স্থায়ী শান্তির সম্ভাবনাকে আবারও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।